ওয়েব সিরিজে তিন লাক্স সুপারস্টার

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:৪২ এএম

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গুড কোম্পানি লিমিটেড প্রযোজনা করেছে নতুন একটি ওয়েব সিরিজ। ‘বিউটি এন্ড বুলেট’ নামের এ ওয়েব সিরিজটি পরিচালনা করেছেন অনিমেষ আইচ। গল্প লিখেছেন মারুফ রেহমান। এটি গ্রামীণফোনের অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপে দেখা যাবে। সপ্তাহের মঙ্গলবার আর শুক্রবার একটি করে পর্ব সেখানে অবমুক্ত করা হবে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো এতে প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় তিন লাক্স সুপারস্টার। তারা হলেন জাকিয়া বারী মম, বিদ্যা সিনহা মিম ও মিম মানতাশা। শুধু তিন লাক্স সুপারস্টারই নন, অন্যরা হলেন- তাহসান খান, আফরান নিশো, সুবর্ণা মুস্তাফা, তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমন আনোয়ার, মামনুন হাসান ইমন, শিল্পী সরকার অপুসহ অনেকে। স্টার সিনেপ্লেক্সে গতকাল এই ওয়েব সিরিজটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিল্পী কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। এর গল্প থ্রিলারধর্মী। প্রথমেই একটা খুন। তারপর আরেকটা। দ্বিতীয়বার খুন হলেন সাংসদ জান্নাতুল মাওয়া। আর পর্দায় এই জান্নাতুল মাওয়া হলেন সুবর্ণা মুস্তাফা। ঘটনা হলো, সুবর্ণা মুস্তাফা একটি রিয়েলিটি শোতে বিচারক হন। প্রতিযোগী বিদ্যা সিনহা মিমের তৈরি খাবার খেয়ে তিনি মারা যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিমকে অপহরণ করেন আফরান নিশো। এখান থেকেই ঘটনার শুরু। তারপর একে একে আরও রহস্য জড়ো হয়। সুবর্ণা মুস্তাফার স্বামী তারিক আনাম খান। একটি কনস্ট্রাকশনের কাজে বড় দুর্নীতি করেন। দুদকের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য চান সাংসদ স্ত্রীর কাছে। কিন্তু স্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, কোনো অনিয়মের সঙ্গে তিনি নেই। তাই সুবর্ণা মুস্তাফার মৃত্যুতে তারিক আনাম খানের হাত থাকতে পারেÑএমন সন্দেহ পুলিশ কর্মকর্তা জাকিয়া বারী মমর।

বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, ‘আমি আলাদা করে সবার সঙ্গে কাজ করেছি। যেমন তাহসান খান, মম বা আফরান নিশোর সঙ্গে। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকা, গল্প করা আর কাজ করা দারুণ অভিজ্ঞতা। তবে দর্শকের কাছে ওয়েব সিরিজটি ভালো লাগার আরেকটি কারণ আছে। বড় আয়োজনে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। সিনেমার মতো করে বানানো। তাই তো বড় পর্দায় প্রিমিয়ার হলো।’

মম বলেন, ‘মাদক চোরাচালান নিয়ে এর আগে এত খোলামেলাভাবে গল্প বলা হয়নি। ক্রাইম থ্রিলার নিয়ে বাংলাদেশি ওয়েব সিরিজ দর্শকের কাছে একেবারেই নতুন। আর এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো দর্শকের কাছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তাই এ ধরনের ওয়েব সিরিজ সময়ের দাবি।’

মিম মানতাশা বলেন, ‘আমি এই টিমের সবচেয়ে ছোট। তাই সবাই আমাকে অনেক আদর করত শ্যুটিং সেটে। প্রতিটি অভিনয়শিল্পী যার যার জায়গায় সেরা। তাই আমি চেষ্টা করেছি সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখতে। যেমন মম আপু তার চরিত্রের সঙ্গে মিশে যেতে কী পরিশ্রম করেন তা না দেখলে বুঝতাম না। আবার মিম আপুর কাছ থেকে শিখেছি কীভাবে সব সময় একজন তারকাকে দেখতে সুন্দর লাগে। আমি এসব অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে কাজে লাগাতে চেষ্টা করব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত