আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ছাত্রদলের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন।
সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ আদালত ছাত্রদলের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ফজলুর রহমান খোকন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে এখনো কোনো কাগজপত্র আসেনি। কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমরা নির্বাচিত। তাই আমাদের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওযার এখতিয়ার আদালতের নেই।
তিনি বলেন, যদি আমাদের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হতো তাহলে বিষয়টি ভিন্ন ছিল। কিন্তু সম্পূর্ণ স্বচ্ছ একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদকের কার্যক্রমের ওপর আদালত কীভাবে নিষেধাজ্ঞা দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। আদালত যদি এমন কোনো নির্দেশনা দিয়েও থাকে তবু আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাব।
১৮ সেপ্টেম্বর রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাসায় ছাত্রদলের কাউন্সিলরদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হন ইকবাল হোসেন।
আগের কমিটির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক আমান উল্লাহ আমান নতুন কমিটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদনের পর আদালত থেকে সোমবার নিষেধাজ্ঞার এই আদেশ এলো।
আদেশে ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
তাদের কার্যক্রমে কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না তার কারণ দেখাতে বলা হয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল। তবে আগের কমিটির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদক আমান উল্লাহ ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন।
তখন শুনানি নিয়ে আদালত ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছিলেন।
এ স্থগিতাদেশের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে মির্জা আব্বাসের বাসায় ছাত্রদলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
