তাবিজ দিয়ে ভয় দেখিয়ে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:১৫ এএম

তাবিজ দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে এক ছাত্রকে বলাৎকার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে খালিয়াজুরী ইসলামিয়া কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা বশিরুল ইসলামকে (৫৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছাত্রটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসার প্রধান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলাৎকারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছাত্রটির মা জানান, গত রবিবার রাত আনুমানিক ৪টার দিকে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বশিরুল ইসলাম আমার ছেলেকে তাবিজ দিয়ে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে টয়লেটের পাশে নিয়ে বলাৎকার করেন। এ সময় একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান তা দেখে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে এবং আমাদের জানান। পরে কমিটির সভাপতি গোলাম আবু ইছহাক বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে প্রধান শিক্ষক বশিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

খালিয়াজুরী থানার ওসি এ টি এম মাহমুদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে বলাৎকারের শিকার ছাত্রটির মা বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষক মাওলানা বশিরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে মঙ্গলবার খালিয়াজুরী থানায় একটি মামলা করেছেন।

চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ : ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার চিলারং গ্রামে চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে চাচা শ্বশুর সাইফুল ইসলামের (৫২) বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ওই গৃহবধূ। অভিযোগ রয়েছে, মামলা না করতে গত ২০ দিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে প্রভাবশালী একটি মহল।

তবে সাইফুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই। তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছে।’

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ স্বজনসহ থানায় এসেছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাইফুলের ভাতিজা রমজান আলীর ছেলে আল আমিন (২৪), ফিরোজ (২৩) ও মিলন (২৪)।

জানা যায়, ওই গৃহবধূ গত ৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়ির পাশের মাঠে ঘাস কাটতে গিয়ে চাচা শ্বশুর সাইফুল ইসলামের ধর্ষণের শিকার হন। এরপর থেকে ঘটনা প্রকাশ না করতে হুমকি দিতে থাকেন সাইফুল।

ওই গৃহবধূর শ্বশুর বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা করতে চাইলে সাইফুল, আল আমিন ও তার লোকজন আমাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।’

চিলারং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন, এসব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হোক। আমি ভুক্তভোগীদের থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত