সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ভারতের মর্যাদাপূর্ণ বিদ্যাসাগর সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দুইশতম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সৈয়দ আবুল হোসেনকে এই পুরস্কার হস্তান্তর করা হয়। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর রঞ্জন চক্রবর্তী তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। বাংলাদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান ও নারী শিক্ষা প্রসারে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সৈয়দ আবুল হোসেনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার ওই সম্মাননা গ্রহণ করে আবুল হোসেন বলেন, এই পুরস্কার শিক্ষা প্রসার এবং সমাজকে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে নিতে আমাকে আরো উৎসাহিত করবে।
সৈয়দ আবুল হোসনে জানান, বিদ্যাসাগর তার স্বপ্নের পুরুষ এবং আদর্শিক মানুষ। বিদ্যাসাগরের দুইশতম জন্মবার্ষিকীতে তার নামে প্রবর্তিত বিদ্যাসাগর পুরস্কার পাওয়া নিজের জন্য গর্বের বিষয় বলেও মনে করেন সাবেক এই যোগাযোগমন্ত্রী।
এ সময় বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর রঞ্জন চক্রবর্তী এবং কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যাসাগর পুরস্কার দেওয়ার আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, আমার এলাকার শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন আমার প্রেরণা। তিনি আরও বলেন, তার এলাকা বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত এবং তা তার একটি বড় প্রাপ্তি।
অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত বিদ্যাসাগর রচনা দ্বিতীয় খন্ড এবং সৈয়দ আবুল হোসেনের লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শিক্ষা বিস্তারে ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য এর আগেও সৈয়দ আবুল হোসেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তার ২০টি গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে।
