দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানে তথ্য চাওয়ার পর না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অনেক কিছুই করতে পারি কিন্তু করি না। এটা হতে পারে না। এর শেষ হওয়া দরকার।’
গতকাল বৃহস্পতিবার সেগুনবাগিচার প্রধান কার্যালয়ে নলেজ শেয়ারিং কর্মশালায় দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। সেখানে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ও ইউএনওডিসির আয়োজনে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মকর্তারা কমিশনের উপপরিচালক থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নলেজ শেয়ারিং করেন।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ইকবাল মাহমুদ বলেন, আপনারা শুধু চিঠি দিয়ে বসে থাকবেন, এটা হবে না। আপনাদেরও ফরোয়ার্ড ডায়েরি অনুসরণ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের অর্থে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এই অর্থের সঠিক ব্যবহারের জন্যই কী শিখছেন, কীভাবে প্রয়োগ করবেন, তার একটি রূপরেখা সাত কর্মদিবসের মধ্যে সচিবের কাছে জমা দিতে হবে। এরপর সচিব ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বাস্তবায়নসংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে উপস্থাপন করবেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ চিহ্নিত করার প্রাথমিক কাজ তথ্যের সঠিক বিশ্লেষণ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করে কাক্সিক্ষত তথ্য বের করা। প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক না থাকলে সম্ভব হয় না। কমিশন প্রত্যাশা করে, প্রতিটি মামলার নিখুঁত ও আন্তর্জাতিক মানের তদন্ত। সঠিকভাবে তদন্ত ও প্রসিকিউশন হলে কমিশনের মামলায় শতভাগ সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কর্মশালায় বক্তব্য দেন দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, সচিব মুহাম্মদ দিলওয়ার বখ্ত, মহাপরিচালক (তদন্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মহাপরিচালক (মানি লন্ডারিং) এ এন এম আল ফিরোজ, মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. জহির রায়হান, মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ ও আইসিটি) এ কে এম সোহেল প্রমুখ।
