গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে গোলাম সোহরাব দোদুল পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘সাপলুডু’। এই সিনেমার নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। সিনেমাটি ঘিরে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান
কেমন আছেন?
খুবই ব্যস্ত সময় পার করছি। মা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। তাকে দেখভাল করতে হয়। অন্যদিকে চলছে ‘জ্যাম’ সিনেমার শ্যুটিং। এর ভেতরেই মুক্তি পেল সিনেমা। প্রচারণাও করতে হচ্ছে।
সাড়া কেমন পাচ্ছেন?
প্রথম দিনে বেশ ভালো রেসপন্স পেয়েছি। দর্শকরা বাহবা দিচ্ছে। এটা সত্যিই আনন্দের।
আপনাকে যে চরিত্রে দেখা যাচ্ছে...
এই সিনেমায় আমার চরিত্রর নাম হচ্ছে আরমান। এটা তো পলিটেকনিক্যাল থ্রিলার গল্পের সিনেমা। প্রচুর সাসপেন্স রয়েছে।
আবার মিমের সঙ্গে কাজ করলেন, রসায়নটা কেমন হলো?
মিমের সঙ্গে আমার কাজ সব সময় দর্শকরা পছন্দ করেছে। তারকাঁটা সিনেমায় আমাদের রসায়ন তো খুবই প্রশংসিত হয়েছে। ওই ছবির জন্য আমরা মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারও পেয়েছি। মৌসুমী আপা ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। তো নিঃসন্দেহে সাপলুডুতেও আমাদের কাজের এক্সপেরিয়েন্স অনেক ভালো। সাপলুডুতে আমার আর মিমের পারফরম্যান্স টোটালি আলাদা হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে দোদুল ভাইয়ের জন্য।
দোদুলের এটা প্রথম সিনেমা। পরিচালক হিসেবে তিনি কেমন?
এক কথায় অসাধারণ। তার চিত্রনাট্য, তার সংলাপ, দৃশ্য বোঝানো, দৃশ্য ব্যাখ্যা করা, তার নেতৃত্ব এক কথায় অসাধারণ। দোদুল ভাই যে মাপের পরিচালক সেই মাপের পরিচালক আমাদের এখানে খুবই কম।
সাপলুডু কি গতানুগতিক সিনেমা? না নতুন ট্রেন্ডের?
আপনার প্রশ্ন শুনে আমি অবাকই হলাম। এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে দর্শক। কিন্তু অভিনেতা আরিফিন শুভর চোখে কেমন, সেটা জানতে চাইছি
আমাকে নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, আমি গৎবাঁধা কাজ করি না। গতানুগতিক কাজ করলে তো বছরে ১০টা ফিল্ম রিলিজ হতো আমার। সেই জায়গা থেকে বলব, এই ছবিটিও গতানুগতিক কোনো ছবি নয়, নতুন ট্রেন্ডেরই সিনেমা।
শ্যুটিং করার সময়ের অভিজ্ঞতা?
এই সিনেমার শ্যুটিং হয়েছে মিয়ানমার বর্ডারে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে। আমাদের পুলিশ প্রোটেকশনে কাজ করতে হয়েছে। কারণ ইলেকশনের আগে ছিল টাইমটা। সব মিলিয়ে টানটান সিচুয়েশনের মধ্যে আমাদের শ্যুটিং করতে হয়েছে।
দর্শক কেন সিনেমাটি দেখবে? তিনটি কারণ বলুন?
দর্শক সিনেমাটি দেখতে যাওয়ার বহু কারণ রয়েছে। যদি তিনটি কারণ বলতে বলেন তাহলে বলব প্রথমত, সিনেমার পরিচালকের মুনশিয়ানা দেখতে যাবে। দ্বিতীয়ত, সিনেমার দুর্দান্ত একটি গল্প দেখতে যাবে। তৃতীয়ত, এই সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা প্রত্যেকেই দেশের স্বনামধন্য অভিনয়শিল্পী। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় প্রমাণ করেছেন তারা কত ভালো অভিনয় করেন।
দর্শকদের জন্য আপনার বার্তা?
প্রথম দিনেই দর্শকরা সিনেমাটি গ্রহণ করেছে। দর্শকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ছাড়া আমার কিছুই বলার নেই। আশা করি সর্বস্তরের দর্শক ছবিটা গ্রহণ করবে।
