২০১৫’র ৩১ মে লাহোরে ওয়ানডে অভিষেক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৫৪ দিয়ে শুরু বাবর আজমের। ১৪ ওয়ানডে পর শারজায় উইন্ডিজের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে পরের দুম্যাচেও সেঞ্চুরি করে টানা তিন ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ক্রিকেটবিশ্বকে উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন এই ডান হাতি। এরপর পরপর দুম্যাচে আবার সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
সবগুলো সেঞ্চুরিই ছিল দেশের বাইরে। অবশেষে দেশের মাটিতে সেঞ্চুরি করার সৌভাগ্য হলো বাবর আজমের। তার সেঞ্চুরিতে দল জিতেছে, তাই সপ্তম স্বর্গে বাবর। আবার সেঞ্চুরিতেই করাচিতে ফেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তান জয় পেয়েছে ৬৭ রানের। উড়ছেন বাবর আজম, ‘আমি প্রত্যেক ম্যাচে একশ ভাগ দেওয়ার জন্য মাঠে নামি। যতদিন সম্ভব এভাবেই খেলব।’ যোগ করেছেন, ‘ঘরের মাঠে আমরা ক্রিকেট উপভোগ করছি। আমরা যেভাবে পিএসএল খেলেছি, কিংবা উইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছি সে রকমই ঘরের মাঠে খেলার সময় কোনো চাপ বোধ করছি না।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলতি সিরিজে সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পড়েছে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নেতৃত্ব দেওয়া বাবরের ওপর। জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন কি দেখেন বাবর? ‘সবাই তো অধিনায়কত্ব করতে চায়। তবে আমি এখনই আগ বাড়িয়ে ভাবছি না। আমি কেবল নিজের খেলায় মনোযোগ দিতে চাই। সহ-অধিনায়কে চাপ নেই। আমি শেখার চেষ্টা করি। সরফরাজের পরামর্শের দরকার হলে আমি তার সঙ্গে ভাবনা বিনিময় করি।’
সোমবারের সেঞ্চুরিটি ছিল বাবর আজমের ১১তম। মাত্র ৭১ ইনিংসেই এতগুলো সেঞ্চুরি করলেন তিনি। হালের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিরও তার চেয়ে ১১ ইনিংস বেশি লেগেছিল ১১ সেঞ্চুরি করতে। তবে বাবরের চেয়ে কম ৬৪ ইনিংস খেলে ১১ সেঞ্চুরি করেছিলেন অবসরে যাওয়া হাশিম আমলা।
সোমবারের ইনিংস দিয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে দ্রুততম হাজার রান করার পাকিস্তানি রেকর্ড গড়েছেন বাবর আজম। তার লেগেছে ১৯ ইনিংস। কিংবদন্তি জাভেদ মিয়াঁদাদ ১৯৮৭ সালে ২১ ইনিংস খেলে এক হাজার রান করেছিলেন।
