প্রথম ম্যাচে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৩০৫ রান করেছিল পাকিস্তান। জিতেছিল ৬৭ রানে। সেই করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামেই গতকাল তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২৯৭ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১০ বল হাতে রেখে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছায় পাকিস্তান। ফলে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে ২-০তে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে স্বাগতিকরা। গত ৫ বছরে পাকিস্তান ২৭৫ রানের বেশি তাড়া করে গতকালই প্রথম জয় তুলে নেয়।
দুই পাকিস্তানি ওপেনার জয়ের ভিত গড়ে দেন। ওপেনিংয়ে নেমে ১২৩ রানের জুটি গড়েন ফখর জামান (৭৪) এবং আবিদ আলি (৭৪)। এরপর হারিস সোহেলের ৫৬ রান পাকিস্তানকে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে দেয়। বাকি কাজটুকু সেরেছেন ইফতেখার আহমেদ এবং ওয়াহাব রিয়াজ। টস জিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক লাহিরু থিরিমান্নে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ওপেনার অভিস্কা ফানান্দো মাত্র ৪ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর ওপেনার ধানুস্কা গুনাতিলকার সঙ্গে জুটি গড়েন অধিনায়ক থিরিমান্নে। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৮৮ রান যোগ করেন। ৩৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লঙ্কান অধিনায়ক। এরপর গুনাতিলকা ছোট ছোট জুটি গড়ে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৩৪ বলে ১৩৩ রান করেন তিনি। ২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির পর এটা তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ১৬টা বাউন্ডারি আর এক ছক্কার ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে প্রায় তিনশ রানের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষের বিপর্যয়ের কারণে ২৯৭ রানে থামে সফরকারীরা। উইকেট রক্ষক ভানুকা ৩৬ করে রান আউট হন। ৪৩ রান করে আউট হন সানাকা। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলেছেন তিনি। ৪০ ওভারের সময় ৩ উইকেটে ২২৫ রানে পৌঁছে গিয়েছিল লঙ্কা। পরের দশ ওভার তারা আশানুরূপ রান তুলতে পারেনি। শেষ ১০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে আশি রানও করতে পারেনি তারা।
