ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে শুক্রবার শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব। চারদিকে এখন সাজ সাজ রব। রঙিন আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে মণ্ডপগুলো। বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী দুর্গার বোধন হয়েছে।
ষষ্ঠীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামীকাল শনিবার হবে মহাসপ্তমী পূজা। এরপর রবিবার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা। সোমবার মহানবমী ও মঙ্গলবার বিজয়া দশমীর দিনে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।
দুর্গোৎসব উপলক্ষে পূজার্চনা, পুষ্পাঞ্জলি, আরতি, প্রসাদ বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন থাকছে মণ্ডপগুলোতে। আজ ষষ্ঠীর দিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিশোর রঞ্জন মণ্ডল।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, এবার রাজধানীসহ সারা দেশে ৩১ হাজারের বেশি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাজধানীতে পূজা হচ্ছে ২৩৭টি। মণ্ডপগুলোতে পুলিশ, র্যাব, আনসার সদস্যদের পাশাপাশি পূজা কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দল নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করবেন। পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে একটি মনিটরিং সেল থাকবে।
রাজধানীতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা, কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, বসুন্ধরা সার্বজনীন পূজা, পুরান ঢাকার অভয়নগর দাস লেনের ভোলানন্দগিড়ি আশ্রম, গুলশান-বনানী পূজা ফাউন্ডেশন, কলাবাগান মাঠসহ পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজারে জাঁকজমকপূর্ণ পূজার আয়োজন করা হয়েছে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দেওয়া পৃথক বাণীতে তারা এই শুভেচ্ছা জানান।
