প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা জয় চৌধুরী। আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী তিনি।
হাতে রয়েছে বেশ কিছু সিনেমা। সমসাময়িক বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচন’ নিয়ে ব্যস্ততা...
দ্বিবার্ষিক ‘চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচন’-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পেয়েছে সম্প্রতি। এ নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী আমি। আমার মাত্র সাতটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। চার-পাঁচটি সিনেমা হাতে রয়েছে। ছোট্ট এই চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে সবার এত ভালোবাসা পাচ্ছি, এটা সত্যি আমার জন্য সৌভাগ্যের। অনেক প্রতিষ্ঠিত ও সিনিয়র শিল্পীর মধ্যে মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খান তাদের প্যানেল থেকে আমাকে মনোনীত করায় তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সেই কৃতজ্ঞতা আমার চলচ্চিত্র জগতের গুরু ডিপজল ও সম্মানিত চিত্রনায়ক ফারুকের প্রতি। আমি অভিনয়ের পাশাপাশি শিল্পীদের সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে থাকতে চাই।
নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে...
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই বাঘা বাঘা তারকার সমাবেশ। একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন তারা। তাই এ নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে গতবার ও এবার এ নিয়ে একটু বেশিই সরগরম মিডিয়াপাড়া। এটি একদিকে ভালো দিক। অন্যদিকে খারাপ। বিশেষ করে আমরা সবাই একটি শিল্পী পরিবার।
নির্বাচন আজ আছে, কাল থাকবে না। এ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে এমন কথা বলা উচিত না, যা আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করবে। আমাদের কিছু সিনিয়র ও জনপ্রিয় তারকা শিল্পী বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে নানা কথা বলছেন। কিন্তু তারা সবাই তো এই কমিটির সদস্য। এসব না করে সুষ্ঠু নির্বাচনে সবার সহযোগিতা করা উচিত। কারণ দিনশেষে আমরা সবাই শিল্পীদের মঙ্গলের জন্যই কাজ করব।
সিনেমায় কাজের খবর...
ডিপজলের প্রযোজনায় ‘এক জবান’ সিনেমার মাধ্যমে আমি বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করি। এরপর ‘ভালোবাসলে দোষ কি তাতে’, ‘আজব প্রেম’, ‘হিটম্যান’, ‘চিনি বিবি’, ‘ক্ষণিকের ভালোবাসা’ এবং সর্বশেষ ‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমাগুলো মুক্তি পায়। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ‘অবাস্তব ভালোবাসা’, ‘ভালোবাসি কত বোঝাব কেমনে’, ‘কাকতাড়–য়া’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’ সিনেমাগুলো।
নতুন চুক্তিবদ্ধ হয়েছি ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘হ্যালো’, ‘দোস্ত দুশমন’ ও ‘জিরো পয়েন্ট’ সিনেমা তিনটিতে। সামনের মাসে শুরু হবে ‘নসিব’ ও ‘ভেলকিবাজি’ সিনেমার শ্যুটিং।
