জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে শনিবার বল হাতে আলো কেড়েছেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। অন্য ম্যাচে ব্যাট হাতে প্রতিরোধের দারুণ নজির গড়েছেন জাবিদ হোসেন ও শহিদুল ইসলাম। রাজশাহীতে রাব্বির দিনে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে বেশ সুবিধা জনক অবস্থানে বরিশাল বিভাগ। অন্যদিকে মিরপুরে ঢাকা মেট্রোপলিশের (ঢাকা মেট্রো) বিপক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগ লিড নেওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু জাবিদ-শাহিদুলের ব্যাটে উল্টো লিড নিয়েছেন ঢাকা মেট্রো।
সিলেট বিভাগ-বরিশাল বিভাগ
বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবার ম্যাচের প্রথম দিন খেলাই হতে পারেনি। দ্বিতীয় দিনও খেলা হয় ৩১ ওভার। তাতে ৩ উইকেটে ৬৮ রান করেছিল সিলেট বিভাগ। শনিবার তৃতীয় দিনে মাত্র ৮৬ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট বিভাগ। ৬ উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৬.১ ওভার বল করে ২৪ রান খরচায় ৬ উইকেট শিকার তার। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।
এরপর বরিশাল বিভাগ ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৩১ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। অধিনায়ক ফজলে মাহমুদ সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। শাহরিয়ার নাফীসের ব্যাট থেকে আসে ৬৩ রান। সিলেটের পক্ষে ৩ উইকেট নেন রেজাউর রহমান।
শেষ বিকেলে নিজের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে সিলেট। ২৭ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে তারা। এখনো বরিশালের চেয়ে ১১৮ রানে পিছিয়ে দলটি। ইমতিয়াজ হোসেন ১৪ ও এনামুল হক জুনিয়র ১ রান নিয়ে রবিবার নতুন দিনের খেলা শুরু করবেন।
চট্টগ্রাম বিভাগ-ঢাকা মেট্রোপলিশ
সব ছাপিয়ে এই ম্যাচের গল্পটা জাবিদ হোসেন ও শহিদুল ইসলামের জন্যই বরাদ্দ রাখতে হবে। আগের দিনের ২ উইকেটে ৬৬ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ২০১ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা মেট্রো। প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম বিভাগ থেমেছিল ২৯০ রানে। লিড নেওয়ারই স্বপ্ন দেখছিল দলটি।
কিন্তু অষ্টম উইকেটে জাবিদ ও শহিদুল শুধু বিস্ময়ই উপহার দিলেন। অষ্টম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৪৮ রানের তুলে দিন শেষ করেন। তাতে উল্টো লিড নিয়েছে ঢাকা মেট্রো।
৭ উইকেটে ৩৪৯ রান করে দিন শেষ করেছে দলটি। ৫৯ রানের লিড জমা পড়েছে স্কোর বোর্ডে। আট নম্বরে নামা জাবিদ অপরাজিত আছেন ৮১ রানে। দশ নম্বরে নেমে শহিদুল ইসলাম অপরাজিত আছেন ৮২ রানে।
এর আগে অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব ২১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন। শামসুর রহমান ৫৫ ও মাহমুদউল্লাহ ৬৩ রান করেন।
