বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকা- নিয়ে বিবৃতি দেওয়ায় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোকে ডেকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল রবিবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহান মিয়া সেপ্পোকে মন্ত্রণালয়ে তলব করেন এবং বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে তাদের বিবৃতির জন্যও ব্যাখ্যা চাওয়া হয় এবং সরকারের তরফে বিরক্তি প্রকাশ করা হয়।
মিয়া সেপ্পোকে কী বলা হয়েছিল এ প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আবরার হত্যাকা- নিয়ে জাতিসংঘের সমন্বয়কারীর ঢাকা দপ্তর থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তা ঠিক নয়। কারণ সরকার এই হত্যার বিচারে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। মিয়া সেপ্পোকে বলা হয়েছে, যে হত্যাকা- নিয়ে তদন্ত ও বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা নিয়ে এ ধরনের বিবৃতি অনাকাক্সিক্ষত ও অনভিপ্রেত। সরকার মনে করে, এই বিৃবতি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। এ ধরনের বিবৃতি দিয়ে অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করা যাবে না। জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো মন্ত্রণালয়ে আসেন এবং সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট অবস্থান করেন।
গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের নিজ কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েক নেতাকর্মী। গত বুধবার এক বিবৃতিতে এ হত্যাকা-ের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানান জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী।
