গত ৩০ সেপ্টেম্বর দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত ‘ফার্মগেটের রাজা ইরান’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান ইরান। লিখিত প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড ছাড়া রিপোর্টে আমাকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে। ২৭ নম্বর ওয়ার্ডটি ঢাকা-১২ সংসদীয় আসন। এটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপির নির্বাচনী এলাকা। তিনি নিজেও এই এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। আমার এলাকায় শুধু আমিই নই, কোনো ব্যক্তিরই চাঁদাবাজির সুযোগ নেই। কারণ আমি ও আমার এলাকার এমপি দুজনই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার। এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি যতটুকু জনবহুল আছে তাতে বাসিন্দারা একে অপরের পরিচিত ও পুরনো বাসিন্দা। এ ক্ষেত্রে আমার এলাকা দখলের কোনো সুযোগ নাই। ক্যাসিনো অভিযানে গ্রেপ্তার কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি শুক্রাবাদের ফিরোজ গ্রেপ্তার হওয়ার পর দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বউ বাজারের একটি জায়গা দখল করতে গিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরের বাধার কারণে সম্ভব হয়নি। আমার নির্বাচনী এলাকা খামারবাড়ি মোড়ে টিঅ্যান্ডটি মাঠে ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র ও ইন্দিরা রোড অগ্রগামী ক্লাব রয়েছে। সেখানে প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগের ক্রিকেটাররাই খেলে থাকেন। ক্যাসিনো অভিযানের সময় প্রশাসনের লোকজন এই ক্লাবগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে ক্যাসিনোসংক্রান্ত কোনো সামগ্রী পায়নি।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান ইরান যে প্রতিবাদ দিয়েছেন তা অধিকাংশ দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। প্রতিবেদনে কোথাও তার সঙ্গে ক্যাসিনোসংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করা হয়নি। তাছাড়া এলাকার কোনো ক্লাবে ক্যাসিনো পরিচালনার কথাও বলা হয়নি। শুক্রাবাদের ফিরোজ বা বউ বাজারের জায়গা দখল নিয়েও কোনো তথ্য আমাদের প্রতিবেদনে নেই।
