অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য জাতীয় ক্রিকেট লিগে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন নাসির হোসেন, এমন খবরই প্রচার হয়েছিল একাধিক সংবাদমাধ্যমে। শনিবার শুরু হওয়া জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডে রংপুরের স্কোয়াডেও ছিলেন না নাসির। তবে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন হঠাৎ জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়ায় সুযোগ দেওয়া হয় তাকে। রবিবার ব্যাট করতে নেমে ফিফটিও করেছেন এই ডানহাতি।
কিন্তু নিষেধাজ্ঞার খড়্গ কাঁধে নিয়ে কীভাবে মাঠে নামলেন নাসির? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নটা আসে। বিসিবির অন্যতম নির্বাচক হাবিবুল বাশার বলছেন, নাসির আসলে ‘নিষিদ্ধ’ ছিলেন না। তবে তাকে স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছিল।
হাবিবুল বাশারের উদ্ধৃতি দিয়েই নাসিরের নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে আসে। তবে এদিন সন্ধ্যায় জানতে চাইলে দেশ রূপান্তরকে হাবিবুল বললেন, ‘না, না। এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আসলে নিষিদ্ধ না, ওকে (নাসির) বাইরে রাখা হয়েছিল। কারণ আমরা ওর পারফরম্যান্স এবং মাঠের আচরণে সন্তুষ্ট ছিলাম না। একটা ম্যাচের জন্য তাই স্কোয়াডে রাখা হয়নি।’
স্কোয়াডে না থাকলেও নাসির অনুশীলনের সুযোগ চেয়ে রংপুরের টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে আবেদন করে। হাবিবুল জানান, ‘নাসির নিজের ভুলটা বুঝতে পেরেছে। স্কোয়াডে না থাকলেও কক্সবাজারে এসেছে। নিজে টিকেট কেটে এসেছে এবং নিজের ভাড়া দিয়ে হোটেলে ছিল। টিম ম্যানেজমেন্টকে বলেছে যেন টিমের সাথে থেকে প্র্যাকটিসটা করতে পারে। টিম সেটা মেনে নিয়েছে।’
সাবেক এই অধিনায়ক যোগ করে বলেন, ‘যেহেতু রংপুর থেকে খেলোয়াড় চলে গেছে (রিশাদ হোসেন)। ওদের আবার রংপুর থেকে খেলোয়াড় নিয়ে আসার সময়ও ছিল না। সে জন্য নাসির যেহেতু সেখানেই ছিল, তাই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’ তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে আম্পায়ারকে গালি দেওয়ার জন্য নাসিরকে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা ঠিকই গুনতে হয়েছে।
কক্সবাজারে চলমান প্রথম স্তরের ম্যাচটিতে রাজশাহীর বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ৬২ রানে এগিয়ে আছে রংপুর। নাসির অপরাজিত ৫৫ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন। এবারের আসরে এটিই তার প্রথম ফিফটি।
