নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যপুস্তক

অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৪২ এএম

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কতৃক প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও দাখিল শ্রেণির জন্য নিম্মমানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানো ও বিতরণের যে অভিযোগ তা তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত ক্যাবের (কনজু¨মার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) করা রিট আবেদনের পরিপ্রেড়্গিতে গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো.  হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিম্নমানের কাগজ দিয়ে এনসিটিবির বই ছাপানো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য গুণগত মানের বই নিশ্চিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এ ধরনের দুর্নীতি রোধে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না– তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। 

চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, অর্থ সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, এনসিটিবির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কািন্ত রায়।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘নিম্নমানের কাগজে বই ছাপানোয় বাংলাদেশ পেপার্স মিল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে ক্যাবের কাছে একটি আবেদন করা হয়। ক্যাব এ বিষয়ে জানতে এনসিটিবির কাছে আইনি নোটিস পাঠায়। নোটিসের জবাব না পাওয়ায় এ রিট আবেদনটি করা হয়।’  

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করার দায়িত্ব এনসিটিবির। তারা টেন্ডার আহ্বান করে এবং টেন্ডারের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেয়। বই ছাপানোর সময় কী মানের কাগজ ব্যবহার করতে হবে তা সংশ্লিষ্ট বিধানে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বিগত বছরের টেন্ডার ডকুমেন্ট বিশেস্নষণ করে দেখা গেছে অত্যন্ত নিম্নমানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানো হচ্ছে। এই নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যপুস্তক ছাপানোয় দুর্নীতি হয়েছে বলে আমাদের অভিযোগ। বিষয়টি আমরা আদালতে উপস্থাপন করেছি। আদালত এ বিষয়ে তদন্ত করে দুদককে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে। পাশাপাশি রুল জারি করেছে।’    

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত