অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বব্যাংকের কিছু করার নেই

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৯, ০১:২৭ এএম

বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন ইস্যু ও রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সময় এখন এগিয়ে যাওয়ার।  দারিদ্র্য নিরসনে বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে।

গতকাল রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন গ্রিস ও ইতালিতে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ প্যাট্রিজিও প্যাগানো।

মুস্তফা কামাল বলেন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্বব্যাংক কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এটা রাজনৈতিক ইস্যু। তাই এ ইস্যু রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া বিনিয়োগকারী আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো বিশ্বব্যাংকও আগের মতো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্রমাগত প্রশংসা করেছে।

কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ নিজেই ব্যতিক্রমী হয়ে উঠবে আগামীতে। কারণ কাগজে বাংলাদেশের যে অর্জন, সেটার বাস্তবতাও রয়েছে। এ সময় প্যাট্রিজিও প্যাগানো বলেন, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল আমরা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসেছি। আমরা অবাক হয়েছি যে, বিশ্বে দ্রুত উন্নয়ন করা দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে দারিদ্র্য দূরীকরণে বাংলাদেশের অর্জন উল্লেখ করার মতো। দারিদ্র্য দূর করা বিশ্বব্যাংকের প্রধান কাজ। তাই বাংলাদেশের এই অর্জনে আমরা খুশি। তারপরও বাংলাদেশের বড় একটা অংশ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। দেশের সব মানুষই উপকারভোগী হবে এমন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক বিনিয়োগ করতে চায় বলেও জানান তিনি।

প্যাট্রিজিও প্যাগানো বলেন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্বব্যাংক কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এটা রাজনৈতিক ইস্যু। তাই এই ইস্যু রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়নে দেশের সব মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে বেসরকারি খাতেরও এ ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত হওয়া দরকার। বেসরকারি খাতও ভালো কাজ করে। এক প্রশ্নের জবাবে প্যাগানো বলেন, আপনাদের উচিত নিজেদের জনগণের জন্য বিনিয়োগ করা। বিনিয়োগ বলতে শুধু ভৌত অবকাঠামোকে নির্মাণ করাকেই বোঝায় না, মানবসম্পদ উন্নয়নকেও বোঝায়। মানবসম্পদ বলতে মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়কে ইঙ্গিত করে। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে অনেক কাজ করছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত