গত অক্টোবর মাসে দেশে ১৮৩টি ধর্ষণের ঘটনাসহ মোট ৪৬৫ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল রবিবার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে মোট ৪৬৫ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে মোট ১৮৩টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৩ জন, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে সাতজনকে। ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছেন দুজন। দেশের ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য থেকে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদন অনুযাযী, গত মাসে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ৩০ জনকে, শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে চারজন। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন ১৭ জন এবং এসিডদগ্ধ করা হয়েছে দুজনকে। এছাড়া অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৫টি। বিভিন্ন কারণে ৪৫ জন নারী ও কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। আরও সাতজনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। যৌতুকের জন্য হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে পাঁচজন; যার মধ্যে হত্যা করা হয়েছে দুজনকে। উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ৯ জনকে। বিভিন্ন নির্যাতনের (শারীরিক ও মানসিক) কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন ৯ জন। প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন দুজন। এছাড়া রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে ৫টি এবং বাল্যবিয়ের চেষ্টা করা হয়েছে ৩১টি। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ১৯ জনকে। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একজন। এছাড়া অন্যান্য নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২০টি।
