জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডে একদিন হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেছে সিলেট বিভাগ ও ঢাকা মেট্রো। দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে দুই দলই ইনিংস ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে। বরিশাল বিভাগকে ইনিংস ও ৩২ রানে হারিয়েছে সিলেট বিভাগ। চট্টগ্রাম বিভাগকে ইনিংস ও ৬৪ রানে হারিয়েছে ঢাকা মেট্রো।
সিলেটের জয়ের নায়ক ইবাদত হোসেন। অন্যদিকে মেট্রোর জয়ের নায়ক সাদমান ইসলাম। দুজনেই রয়েছেন ভারত সফরের টেস্ট দলে।
বরিশাল বিভাগ-সিলেট বিভাগ
বল হাতে সিলেট বিভাগের হয়ে আলো কাড়েন ইবাদত হোসেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন ৩ উইকেট। সঙ্গে নাসুম আহমেদ নেন ৪ উইকেট। তবে দুই ইনিংস মিলে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইবাদত।
বরিশাল নিজেদের প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গিয়েছিল ১৬২ রানে। বিপরীতে সিলেট নিজেদের প্রথম ইনিংসে করে ৩২২ রান। রবিবার বিকেলেই দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে বরিশাল। ১২ রান তুলতে হারিয়ে ফেলে ১ উইকেট। সোমবার ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় দলটির ইনিংস। ফলে ইনিংস পরাজয় বরণ করতে হয় দলটিকে।
চার ম্যাচে ২ জয় ও ২ হারে ২২.৫৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্তরে শীর্ষে আছে সিলেট বিভাগ। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ১ জয়, ১ হার ও ২ ড্রয়ে ১৫.৬২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্তরে সবার পেছনে বরিশাল।
ঢাকা মেট্রো-চট্টগ্রাম বিভাগ
প্রথম ইনিংসে ঢাকা মেট্রোর করা ৪০৩ রানের বিপরীতে ৯১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম বিভাগ। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৮ রানে থামে দলটি। আগের দিনের ৩ উইকেটে করা ৯৬ রান নিয়ে এদিন দিন শুরু করে চট্টগ্রাম বিভাগ। পিনাক ঘোষের ৫৭, ইয়াসির আলির ৬৬ রানে দুই শ পেরোনো স্কোর গড়তে পারে দলটি। ঢাকা মেট্রোর হয়ে সর্বাধিক ৪ উইকেট নিয়েছেন শহিদুল ইসলাম।
ম্যাচসেরা অবশ্য ঢাকা মেট্রোর ওপেনার সাদমান ইসলাম। এই ওপেনার খেলেছিলেন ১৭৮ রানের ইনিংস। তার ব্যাটেই বিশাল পুঁজি পেয়েছিল মেট্রো।
৪ ম্যাচে ১ জয়, ১ হার ও ২ ড্রয়ে ১৭.৮০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ঢাকা মেট্রো। সমান ম্যাচে সমান জয়, পরাজয়, ড্রয়ে ১৭.৪২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ।
এদিকে প্রথম স্তরের ম্যাচে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে এগিয়ে আছে ঢাকা বিভাগ। রংপুর বিভাগের বিপক্ষে জয়ের ক্ষণ গুনছে খুলনা বিভাগ।
