হাইকোর্টের রুল

কক্সবাজারে পুনরায় জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম কেন নয়

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৩০ এএম

কক্সবাজারের চারটি পৌরসভা ও ৭১টি ইউনিয়নে পুনরায় জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম কেন শুরু হবে না এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করতে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না  রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি রিট

আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল  মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে। চার সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন, রেজিস্টার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু), চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের পর থেকে সেখানে স্থানীয়দের জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন কক্সবাজারের বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা। আদালতে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুল আলম। 

অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গারা যখন আসতে শুরু করে তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের যে কার্যক্রম, সেটি সম্পন্ন করতে কক্সবাজারের চারটি পৌরসভা ও ৭১টি ইউনিয়নের স্থানীয়দের জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমের সার্ভার বন্ধ রাখা হয়েছে। রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে নাগরিকত্ব পেতে না পারে সেজন্য এই নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় ও মানবিক কারণে দুই বছর ধরে মানুষ এটি মেনে নিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ দিন এটি বন্ধ থাকায় নতুন শিশুর জন্ম সনদ, পাসপোর্ট করা, ওয়ারিশ সনদ নিতে গিয়ে মানুষ বিপাকে পড়ছেন। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে অনলাইনে বাধ্যতামূলক জন্ম নিবন্ধন কপি সংযোজনের নিয়ম থাকায় স্থানীয়রা তা করতে পারছেন না। এসব যুক্তিতে এ রিট আবেদনটি করা হয়। আদালত রুল জারি করেছে।’ 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত