বাংলাদেশ দল ভারত সফরে যাওয়ার একদিন আগে নিষিদ্ধ হলেন সাকিব আল হাসান। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তাই অধিনায়কত্বে বদল আনা ছিল অবধারিত। টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব দেওয়া হলো মাহমুদউল্লাহকে, টেস্ট অধিনায়ক করা হলো মুমিনুল হককে।
মাহমুদউল্লাহ আগেও বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন সময়ে। তবে মুমিনুলের অধিনায়কত্ব পাওয়া ছিল বেশ চমকের। ব্যাপারটি অপ্রত্যাশিত হয়ে এসেছিল মুমিনুলের নিজের কাছেও। বুধবার মিরপুরে সাংবাদিকদের এমনটাই বলেছেন ছোটখাটো গড়নের এই ব্যাটসম্যান।
বাংলাদেশ দল এখন টি-টোয়েন্টি মিশনে। টেস্ট স্কোয়াডে থাকা মুমিনুল, ইমরুল কায়েস, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাদমান ইসলামরা টেস্ট খেলতে যাবেন পরে। তবে মুমিনুল-মিরাজরা মিরপুরে গোলাপি বলে অনুশীলন সেরে রাখছেন। ইডেনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট যে হবে দিবা-রাত্রির।
এদিন মিরপুরে মুমিনুল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেই অধিনায়কত্বের ব্যাপারটি এল। ভারত সফরের টেস্ট অধিনায়ক বললেন, ‘পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত এটি (অধিনায়কত্ব পাওয়া)। কোনো সময়ই চিন্তা করিনি বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হব কিংবা টেস্ট দলের অধিনায়ক হব। এমন কিছু স্বপ্নেও ছিল না। পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।’
তবে অধিনায়কত্বকে বাড়তি চাপ হিসেবে নিতে চান না মুমিনুল। ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে চান তিনি, ‘আমি যদি ভাবি আমি অধিনায়ক, আমার অনেক দায়িত্ব আছে, আমাকে দলকে সামনে টেনে নিতে হবে। তাহলে কিছুটা চাপ তৈরি হবে। আর যদি আগের মত খেলি যে, আমি একজন ব্যাটসম্যান যার দলের জন্য রান করতে হবে। স্বাভাবিক খেলাটা খেললে ওরকম প্রভাব পড়বেনা।’
ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৪ নভেম্বর ইনদোরে। কলকাতায় দ্বিতীয় টেস্ট ২২ নভেম্বর।
