দুর্নীতির মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে এজাহার দাখিল ও এর ভিত্তিতে দুদকের তদন্ত করার ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস ও নওশীন নাওয়ালের পক্ষে আবেদনটি করেন আইনজীবী আবদুল কাইউম খান ও মমতাজ পারভীন।
রিট আবেদনে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা-২০০৭ (সংশোধনী ২০১৯)-এর ১ (২) (ঘ) (ছ), ৪, ৯ (ক), ১০ নম্বর বিধি ও ফরম- ২ খ কেন বেআইনি
ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনকারী সুবীর নন্দী দেশ রূপান্তরকে জানান, আগে দুর্নীতির মামলা থানায় রেকর্ড করা যেত। কিন্তু দুদকের সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী এখন থানায় এ ধরনের মামলা রেকর্ড করা যায় না। দুদক বিধিমালার এই বিধানগুলো সংবিধানের ৩১, ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পরিপন্থি। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ থানায় করতে হয় এবং থানা ওই ব্যক্তির অভিযোগ গ্রহণ করতে বাধ্য। কিন্তু দুদকের নতুন বিধিমালার কারণে এখন এ সুযোগ নেই। এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট থানা তা জিডি (সাধারণ ডায়েরি) হিসেবে গ্রহণ করে দুদকে পাঠিয়ে দেয়। এর ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান করে মামলা দায়ের ও তদন্ত করে। অথচ মামলা রেকর্ড করার কোনো ক্ষমতা দুদককে দেওয়া হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘এই বিধিমালার মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় নাগরিককে দেওয়া মামলা করা বা অভিযোগ দেওয়ার ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে। এসব যুক্তিতে এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে। কার্যতালিকায় এলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একটি বেঞ্চে এর ওপর শুনানি হবে।
