টিকিটের চাহিদা যে রয়েছে, সেটা শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। তবে তা এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে, এতটাও আন্দাজ করা যায়নি। ইডেনে গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট নিয়ে সাধারণ দর্শকের মধ্যে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তাতে রীতিমতো আপ্লুত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) কর্তারা।
ঐতিহাসিক ইডেন টেস্টের সাক্ষী থাকতে চাইলেও গ্যালারি থেকে ম্যাচ দেখা সবার জন্য সম্ভব নাও হতে পারে। কেননা টিকিটের চাহিদা এতটাই বেশি যে, অনিশ্চিত কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি। ম্যাচের আর এক সপ্তাহও বাকি নেই। এখনও সিএবি’র তরফে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না আদৌ কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি হবে কি-না।
কারণ কাউন্টারে বিক্রির মতো টিকিট আদৌ সিএবি হাতে অবশিষ্ট থাকবে কি-না, তা নিয়েই রয়েছে ঘোর সংশয়। সাধারণত অনলাইন বিক্রির পর অবশিষ্ট টিকিট এবং ক্লাব ও বিভিন্ন সংস্থার জন্য বরাদ্দ থেকে বেঁচে যাওয়া টিকিট বিক্রি করা হয় কাউন্টার থেকে।
সিএবি’র তরফে জানানো হয়েছে, ১৯ নভেম্বরের পর বলা যাবে আদৌ কাউন্টারে কোনো টিকিট বিক্রি হবে কিনা। যদি কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি হয় তবে সেটা সিএবি’র তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে।
সিএবি সচিব অভিষেক ডালমিয়া টিকিটের এমন চাহিদায় খুশি হলেও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যারা কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার আশায় অপেক্ষা করেও হতাশায় বাড়ি ফিরছেন তাদের জন্য।
তবে তিনি স্পষ্ট জানাচ্ছেন যে, সাধারণ মানুষের জন্যই এমন ঐতিহাসিক আয়োজন। ক্রিকেটপ্রেমীদের এমন আগ্রহ নিশ্চিতভাবেই সেই আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করবে। খেলা ছাড়াও ম্যাচের প্রথম দিন ইডেনে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সিএবি।
টসের আগে হেলিকপ্টার থেকে নেমে আসা জনৈক ব্যক্তি দুই অধিনায়কের হাতে তুলে দেবেন গোলাপি বল। চা-এর বিরতিতে ভারতের টেস্ট অধিনায়কদের গলফ কার্টে ইডেন প্রদক্ষিণ করানো হবে।
ডিনার ব্রেকে টক-শো’তে অংশ নেবেন শচীন, সৌরভ, দ্রাবিড়রা। দিনের খেলা শেষ হলে দু’দলের সাবেক ক্রিকেটারদের সংবর্ধিত করা হবে। টেস্টটিতে গ্যালারিতে থাকবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
