বশেমুরবিপ্রবিতে ১৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০২:১৯ এএম

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) পাঁচ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারসহ মোট ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তে পৃথক দুটি অফিস আদেশে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নূরউদ্দিন আহমেদ এই বহিষ্কারাদেশ দেন।

একটি অফিস আদেশে বলা হয়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের আন্দোলনের সময় নাসিরের নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার পুনঃতদন্ত কমিটির দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীকে

স্থায়ী অ্যাকাডেমিক বহিষ্কার এবং এক শিক্ষার্থীকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ড।

স্থায়ী বহিষ্কৃতরা হলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের রাফিজুল ইসলাম, নূরুদ্দিন নাহিদ, স্নাতকোত্তর শ্রেণির আরিফুল ইসলাম সাকিব, তৃতঅয় বর্ষের মো. মাজহারুল ইসলাম মিশন এবং দ্বিতীয় বর্ষের রাহাত আল আহসান। এ ছাড়া একই ঘটনায় বিভাগটির তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইসমাইল শেখকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্য একটি আদেশে বলা হয়, গত ৯ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক অভিযানে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার ঘটনায় একটি চক্রকে আটক করা হয়। ওই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থীকে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে দুই সেমিস্টার (জুলাই ২০১৯-জুন ২০২০) বহিষ্কার ও হল থেকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা বোর্ড। ওই সাত শিক্ষার্থী হলেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এআইএস) বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী বাবুল শিকদার বাবু, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মো. নয়ন খান, নিয়ামুল ইসলাম, মনিমুল হক, আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের অমিত গাইন, দ্বিতীয় বর্ষের মানিক মজুমদার এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের রনি খান।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নূরউদ্দিন আহমেদ দেশ রূপান্তরকে জানান, ২১ সেপ্টেম্বর সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় পুনঃতদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী এবং ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত