প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবলীগের নতুন দুই শীর্ষ নেতার সাক্ষাৎ

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৪:১৪ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুবলীগের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাকে এই শীর্ষ দুই যুবলীগ নেতা শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব মুহাম্মদ আশরাফ সিদ্দিকী বিটু জানান, এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সংগঠন পরিচালনায় উভয় নেতার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরশ ও নিখিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের তিন বছরের জন্য চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। পরশ যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির বড় ছেলে। তিনি গত শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বাসস।

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত হতে পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী

২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটা উন্নত দেশ হিসেবে গড়তে সরকার দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী গতকাল রবিবার তার কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-৪১) : রূপকল্প ২০৪১-এর বাস্তবায়ন’ শীর্ষক উপস্থাপনা দেখার আগে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দ্রুত কিছু কাজ করতে হচ্ছিল। এজন্য আশু করণীয় ঠিক করলাম। এরপর আমরা পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সেটা বাস্তবায়ন শুরু করেছিলাম। সেই সঙ্গে একটা দীর্ঘমেয়াদি যেমন ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেটা বাস্তবায়ন শুরু করি।

তিনি বলেন, পরে আমাদের যেটা ছিল আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ায় একটা উন্নত দেশ হিসেবে গড়তে চাই। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের প্রথম ধাপের যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপটা এখন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি, এটা হচ্ছে ২০২১ থেকে ২০৪১।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনটি অগ্নিনিরোধক ফায়ার কুশন হস্তান্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অগ্নিদুর্ঘটনার সময় উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য জার্মানির তৈরি অত্যাধুনিক তিনটি অগ্নিনিরোধক জাম্বু কুশন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকালে তার কার্যালয়ে (পিএমও) অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসেনের হাতে এগুলো তুলে দেন। এই অগ্নিনিরোধক কুশনগুলো ফাইবার গস্নাস দ্বারা তৈরি এবং এক মিনিটে এগুলো ব্যবহার উপযোগী করা যায়। প্রতিটি কুশনের মূল্য পড়েছে ৫০ লাখ টাকা। প্রতিটির ওজন ৮০ কেজি। এই কুশনগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী এবং কম্পন এবং শোষণ ছড়িয়ে পড়া ছাড়াই যেকোনো বিপজ্জনক পণ্য পরিবহনে সক্ষম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত