ঢাকার সাভার ও ধামরাই উপজেলার পৃথক স্থান থেকে গৃহবধূ, পোশাক শ্রমিক ও প্রকৌশলীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মরদেহগুলি উদ্ধার করে ময়না তদন্তর জন্য মর্গে পাঠানোর পাশাপাশি পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সাভারের রাজফুলবাড়িয়া, এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা এলাকা থেকে মরদেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
থানা পুলিশ জানায়, সাভারের রাজফুলবাড়িয়ার খাত্রাপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে স্ত্রী শিউলি বেগমকে (২৩) শ্বাসরোধ করে হত্যা করে স্বামী নুরুল হক বাবু।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে রেজাউল ইসলাম নামের (২৩) এক গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর থানার হরিপুর গ্রামের খসরু ইসলামের ছেলে এবং সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার ব্যাবিলন গার্মেন্টসে কাজ করতো বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে সোমবার রাতে হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ি এলাকায় নিজ ভাড়া বাড়িতে অজ্ঞান পড়লে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য এনাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে ধামরাই উপজেলার ঢুলিভিটা এলাকায় এন অ্যান্ড এন সিএনজি পাম্প থেকে দুই সন্তানের জনক প্রকৌশলী সোরহাব হোসেনের (৩৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে কুষ্টিয়া জেলার ভেরামারা থানার ফারাকপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। নিহত সোরহাব হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ঢুলিভিটা এন অ্যান্ড এন সিএনজি পাম্পের প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতেন। সকালে ওই পাম্পের কর্মচারী শিপন সোরহাবকে ডাক দিতে গেলে তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তর জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে জানতে এন অ্যান্ড এন সিএনজি পাম্পের মালিক মাহাবুব রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ হোসেন ছুটন বলেন, পাম্পের প্রকৌশলীর মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই বোঝা যাবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা।
