আপন জুয়েলার্সের তিন মালিককে দুদকে তলব

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৪০ এএম

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্পর্কে তারা তিন ভাই। গতকাল মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসাইন মৃধা স্বাক্ষরিত আলাদা চিঠিতে তাদের দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, দিলদার আহমেদ সেলিমকে ২৭ নভেম্বর, গুলজার আহমেদকে ২৮ নভেম্বর এবং আজাদ আহমেদকে ১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। চিঠিতে সব আয়কর নথি, দেনা ও ব্যাংকঋণ সংক্রান্ত নথিপত্র ও দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীর তথ্যমতে সম্পদের আয়ের উৎস সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়। এটা তাদের দ্বিতীয় নোটিস। এর আগে ২০১৭ সালের ১৬ অক্টোবর তলবি নোটিস দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় তারা জেলহাজতে থাকায় দুদকে হাজির হতে পারেননি। বর্তমানে তারা জামিনে।

আপন জুয়েলার্সের মালিকদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৭ সালে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। শুরুতে উপপরিচালক এস এম আখতার হামিদ ভূঞা অভিযোগটি অনুসন্ধান শুরু করেন। অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহিভূ©ত সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ৯ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী নোটিস জারি করে দুদক।

আপন জুয়েলার্সে সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগের পর প্রতিষ্ঠানটির মালিকদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহিভূ©ত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর দুদকে চিঠি দিলে অনুসন্ধান শুরু হয়।

২০১৭ সালের ৮ জুন ও ১২ আগস্ট আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ১০টি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা। বনানীর একটি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আপন জুয়েলার্সের ৫টি শোরুম থেকে প্রায় ১৫ মণ সোনা ও ডায়মন্ডের অলংকার উদ্ধার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয় শুল্ক গোয়েন্দা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত