সন্তুষ্ট নুসরাতের মায়ের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ০২:১৩ এএম

ফেনীর সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির আপত্তিকর ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার মামলায় সোনাগাজী মডেল থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে ৮ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তার মা শিরিন আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মোয়াজ্জেম হোসেনকে বিচারের আওতায় আনায় পুলিশ বিভাগ এবং মামলার বাদী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের প্রতি

ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

রায় ঘোষণার পর দেশ রূপান্তরকে দেওয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার মেয়ে হত্যার বিচারের দায়িত্ব নিয়েছেন। ওনার কারণে নুসরাত হত্যা মামলার কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পুলিশ বিভাগ এবং ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনসহ সমগ্র দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম আমার মেয়েকে থানায় হেনস্তা করেছে। অবৈধভাবে ভিডিও ধারণ করেছে। আমরা এর আগেও ওসি মোয়াজ্জেমের বিচার চেয়েছি। আমি আজ তার বিচার পেয়েছি। ওসি মোয়াজ্জেম আমার মেয়ের হত্যাকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেছে। তা প্রতিষ্ঠিত করতে অবৈধভাবে ভিডিও ধারণ করেছে।’

নুসরাতের বড় ভাই ও নুসরাত হত্যা মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম নুসরাতকে তার অফিসে নিয়ে যে আপত্তিকর নাজেহাল করেছেন, সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই বিচারের মধ্য দিয়ে পুলিশের গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়ে গেছে।’

নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিচারের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিচারের মাধ্যমে সত্যের জয় হলো।’

নুসরাত হত্যা মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেমের বিচারের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, অপরাধ করলে যতই ক্ষমতাশালী হোক আইনের আওতায় আসতে হবে।’

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত