গ্রেপ্তারের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আসামি নিহত

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৪০ এএম

নোয়াখালীর মাইজদীতে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম ইব্রাহিম খলিল ওরফে ভাণ্ডারি রুবেল (৩২)। গত বুধবার গভীর রাতে শহরের হরিনারায়ণপুর রেললাইনসংলগ্ন সাফা মিয়ার বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের ভাষ্য, নিহত ভাণ্ডারি রুবেল মাদক কারবারি। হত্যা, ডাকাতিসহ ১৬ মামলার আসামি তিনি। ভাণ্ডারি রুবেল আইয়ুবপুর এলাকার আবুল কাশেম ভাণ্ডারির ছেলে।

নোয়াখালী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি কামরুজ্জামান সিকদার দেশ

রূপান্তরকে জানান, বুধবার সন্ধ্যায় শহরের হরিনারায়ণপুর রেললাইন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ পিস ইয়াবাসহ ভাণ্ডারি রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের জন্য রাত ৩টার দিকে তাকে নিয়ে সাফা মিয়ার বাগানে অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রুবেলের সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে রুবেল ও পাঁচ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন ডিবির ওসি কামরুজ্জামান সিকদার, এসআই সায়িদ মিয়া, ওমর ফারুক, এএসআই মাসুদ আলম ও কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেন। তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, একটি পাইপগান, ছয় রাউন্ড গুলি, দুটি চাইনিজ কুড়াল, একটি ছোরা ও তিনটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ডিবির ওসি কামরুজ্জামান। এ ঘটনায় আহত ডিবির এসআই সায়িদ মিয়া বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলা এবং অস্ত্র ও মাদক আইনে সুধারাম থানায় আলাদা তিনটি মামলা করেছেন। টেকনাফে দুগ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ১

কক্সবাজারের টেকনাফে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলিতে মোহাম্মদ উল্লাহ ওরফে সোনা মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় বন্দুক ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ উল্লাহ ওরফে সোনা ওই এলাকার মৃত হায়দার আলীর ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশে তৈরি এলজি, ৮ রাউন্ড তাজা বুলেট, ২৫ রাউন্ড খোসা উদ্ধার করে।

টেকনাফ থানার অপারেশন অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, সকালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের উলুচামরী পাহাড়ি এলাকায় দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে গোলাগুলি হওয়ার খবরে টেকনাফ থানা পুলিশ অভিযানে নামে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একটি দেশি তৈরি এলজি, ৮ রাউন্ড তাজা বুলেট, ২৫ রাউন্ড খোসাসহ এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ থানায় মামলা করা হয়েছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত