গীতিকার-সুরকার অঞ্জন দত্তের বিখ্যাত একটি ছিল- ‘সাবধান মিসেস মুখার্জি’। তবে এবার আরেকজন সত্যিকারের ‘মিসেস মুখার্জিকে’ পাও গেল।
কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করে নাম বদলে মিসেস মুখার্জি হলেন মিথিলা।
পুরো নাম রাফিয়াত রশিদ মিথিলা হলেও বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রীকে মিথিলা নামেই সকলে চেনেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতার সৃজিতকে বিয়ে করেছেন তিনি। আর বিয়ের পরেই তিনি হয়ে গেছেন গেছেন মিসেস রশিদ মুখার্জি।
মিথিলা নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি পোস্ট করে ‘মি. অ্যান্ড মিসেস. রশিদ মুখার্জি’ লিখে এভাবেই নিজেই নতুন পরিচয় জানিয়েছেন। মিথিলাকে এখন মিসেস মুখার্জি বলেই ডাকতে হবে।
এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট মিথিলা বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী তাহসান খানকে। টানা ১১ বছর সংসার করেছেন তারা। অবশেষে তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের ২০শ জুলাই। তাদের আইরা তাহরিম খান নামের এক সন্তানও রয়েছে।
তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান মিথিলা। কিছুদিন আগে তাদের কিছু গোপন ছবিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ নিয়ে হইচইও হয়েছে অনেক। এই ছবিগুলো প্রকাশ হওয়ার বেশ আগে থেকেই সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের গুঞ্জন শুরু।
এরপর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর অনুষ্ঠানে সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে মিথিলার পরিচয় হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় ফেইসবুকে কথাবার্তা। এরপর বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম। কলকাতার রাস্তায় একসঙ্গে ঘোরাঘুরি। তাদের এই প্রেম আর গোপন থাকেনি। গণমাধ্যমের খবরের শিরোনামে আসেন তারা। বারবার নিজেদের প্রেমের কথা অস্বীকার করে আসছিলেন। কিন্তু কলকাতা ও ঢাকায় তাদের ঘন ঘন যাতায়াত, একসঙ্গে অনুষ্ঠানে যাওয়া– সবকিছুই ভক্তদের সন্দেহকে তীব্র করে তুলেছিল। ঢাকার বেশ কিছু জায়গায়ও সৃজিত-মিথিলাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। কিন্তু তবুও মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন দুজনে। শুধু তাই নয়, সে সময় আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। এদিকে সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের ঘোষণার পর তাদের প্রেমের বিষয়টিকে গুঞ্জন হিসেবে জাহির করার কারণ জানতে চাইলে মিথিলা জানান, ‘ব্যক্তিগত বিষয়কে ব্যক্তিগত হিসেবেই রাখতে চেয়েছিলেন তারা।’
বিয়ের পর ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সৃজিত মুখার্জি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাথে নাড়ির সম্পর্ক তো আগেই ছিল। কারণ আমার আদি বাড়ি বাংলাদেশের বিক্রমপুর ও ময়মনসিংহে- মায়ের দিক ও বাবার দিক দিয়ে। এখন বিয়ের মাধ্যমে নারীর সম্পর্কও হয়ে গেল। ‘ড়’ টা (নাড়ি) এখন ‘র’ (নারী) হয়ে গেল। ভালো লাগছে খুব।’
