অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৪১৬ রানে অল আউট হয়। এরপর ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। পার্থের পেস-সহায়ক উইকেটে আগুন ঝরাতে থাকেন মিচেল স্টার্ক। একমাত্র রস টেইলর ছাড়া কোনো কিউই ব্যাটসম্যান দাঁড়াতে পারেননি। দ্বিতীয় দিন শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ফলঅনের হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
পার্থের দিবা-রাত্রির টেস্টের প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে ২৪৮ রান করেছিল। মারনাস লাবুশেন ১১০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ট্রাভিস হেড ব্যাট করছিলেন ২০ রান নিয়ে। গতকাল এ দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ৫৩ রান যোগ করার পর আউট হন। পঞ্চম উইকেটে লাবুশেন আর হেড ৭৬ রানের জুটি গড়েন। মাত্র ১২ টেস্টের ক্যারিয়ারে টানা তিনটা সেঞ্চুরি করা মারনাস লাবুশেন শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রানে আউট হন। হেড ৫৬ রানে আউট হন। গতকাল লাবুশেন, হেড, পেইন এবং স্টার্ককে আউট করতে না পারলে নিউজিল্যান্ডকে হয়তো আরও বড় রানের চাপ নিতে হতো। অধিনায়ক টিম পেইন ৩৯ রান করেন। ব্যাট হাতে স্টার্ক করেন ৩০ রান। তবে নিউজিল্যান্ডের মূল সর্বনাশটা তিনি করেছেন বল হাতে। শুরুতেই কোনো রান করার আগেই টম লাথামকে ফেরান তিনি। এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন আর রস টেইলর জুটি গড়েন। কিন্তু লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেওয়া এই জুটি ভাঙেন স্টার্ক। িস্লপে দেওয়া উইলিয়ামসনের ক্যাচ শরীরটা শূন্যে ভাসিয়ে লুফে নেন স্টিভেন স্মিথ। তার অসাধারণ ক্যাচে ৩৪ রান করে থামতে হয় কিউই অধিনায়ককে। জুটির অপর ব্যাটসম্যান টেইলর অবশ্য ৬৬ রানে অবিচলিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া : ৪১৬ (১৪৬.২ ওভার) (লাবুশেন ১৪৩, হেড ৫৬, ওয়ার্নার ৪৩, স্মিথ ৪৩, পেইন ৩৯; ওয়াগনার ৪/৯২, সাউদি ৪/৯৩, গ্র্যান্ডহোম ১/৩৭)। নিউজিল্যান্ড : ১০৯/৫ (৩২ ওভার) (টেইলর ৬৬*, উইলিয়ামসন ৩৪; স্টার্ক ৪/৩১, হ্যাজেলউড ১/০)।
