কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা

প্রধান সন্দেহভাজন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:০৮ এএম

ফরিদপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ফাতেমাকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ইয়াসিন মোল্লা (২২) গ্রেপ্তারের পর পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, গত রবিবার রাত ২টার দিকে শহরের রথখোলা লঞ্চঘাট জোড়া ব্রিজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শহরের ওয়্যারলেসপাড়ার মনি মোল্লার ছেলে ইয়াসিনের নামে তিনটি মামলা বিচারাধীন।
১২ ডিসেম্বর বিকেলে শহরের রাজেন্দ্র কলেজের মাঠে মেলার ভিড় থেকে নিখোঁজ হয় ফাতেমা (১৪)। সে রাজেন্দ্র কলেজসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এলাহী শরিফের মেয়ে। পরদিন সন্ধ্যায় কলেজের পাশেই বিটিসিএল অফিসের সীমানা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই পুলিশ জানায়, মেয়েটির পোশাক গলায় পেঁচিয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তাদের ধারণা, হত্যার আগে ধর্ষণ করা
হয়েছিল তাকে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন মেয়েটির বাবা।
কোতোয়ালি থানার এসআই বেলাল হোসাইন জানান, মেলার মাঠের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে ইয়াছিনকে চিহ্নিত করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহয়তায় রবিবার রাতে আটক করে তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে পুলিশের ওপর হামলা করে তার সহযোগীরা। তখন ইয়াছিন পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এ সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুকযুদ্ধে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত