আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায়

পাশ্চাত্য সংগীতে মেতে উঠল পৌষের সন্ধ্যা

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৫৮ এএম

পৌষের সন্ধ্যায় নগরীতে যখন জেঁকে বসেছে শীত, তখন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শতাধিক দর্শক-শ্রোতা মেতেছেন পাশ্চাত্য সংগীতের সুরের মূর্ছনায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগীতশিল্পী ফিলিপ হাজরা এবং রাশিয়ান পিয়ানোবাদক জুলিয়া ঈভদোকিমোভার ‘চেলো-পিয়ানো-ওডিও ৩’ শীর্ষক যন্ত্রসংগীতানুষ্ঠান। বাংলাদেশে ভায়োালিন, ভিয়োলা, চেলো এবং ডাবল বাস বিষয়ে পাশ্চাত্য শাস্ত্রীয় সংগীত প্রচারে ফিলিপ হাজরার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০০৭ থেকে তিনি আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় ভায়োলিন ও চেলো বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। অন্যদিকে জুলিয়া ঈভদোকিমোভা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পিয়ানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। বিশ^জুড়ে পিয়ানো বাজানোর জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। এই দুই শিল্পীর যন্ত্রসংগীতে এবার মুগ্ধ হলেন ঢাকার দর্শক-শ্রোতা। একক ও যৌথ উপস্থাপনায় ছিল বিভিন্ন ধরনের সংগীত এবং পশ্চিমা সংগীতজ্ঞ ও সুরকারদের অমর সৃষ্টি। লুডউইগ ভ্যান বিথোভেনের মিনুয়েট, ক্যামিল সেন্ট-সায়েন্সের দ্য সোয়ান, স্কুমানের  ট্রুমেরেই পরিবেশন করে ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন শিল্পীরা।

ওয়াইজঘাটে নতুন আর্ট গ্যালারি : রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাটের বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টসে (বাফা) যাত্রা শুরু করল নতুন একটি আর্ট গ্যালারি। প্রাচীন ভবনটির দ্বিতীয় তলায় কয়েকটি কক্ষ মিলিয়ে প্রশস্ত স্থানে গড়া হয়েছে বাফা আর্ট গ্যালারি। শুক্রবার থেকে প্রদর্শনীর মাধ্যমে পথচলা শুরু করল এটি। এই গ্যালারিতে শুরু হয়েছে বাফার চারুকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চিত্রকর্ম নিয়ে ‘দ্য স্ট্রাগল অব লিবারেশন অ্যান্ড মুজিব’ শীর্ষক প্রদর্শনী। নৃত্যাচার্য বুলবুল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষের বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ প্রদর্শনী। ৬১ শিল্পীর ৭০টি চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রদর্শনীটি। তিন সপ্তাহব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে অ্যাকাডেমিক কাজের পাশাপাশি নিরীক্ষাধর্মী চিত্রকর্মও উপস্থাপিত হয়েছে। লোকজ বাংলার শিল্পপ্রকরণের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শিল্পকর্ম যেমন রয়েছে তেমনি বিমূর্তধারার এক্সপেরিমেন্টাল শিল্পকর্মেরও দেখা মেলে। কারও কাজে প্রতিফলিত শিল্পের নানা গতিমুখের সংকেত। জলরং, তেলরং, অ্যাক্রেলিক ও মিশ্র মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে চিত্রকর্মগুলো। প্রদর্শনীটির কিউরেটিং করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চারু ও কারুকলা বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক উত্তম কুমার রায়।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায়

পাশ্চাত্য সংগীতে মেতে উঠল পৌষের সন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

পৌষের সন্ধ্যায় নগরীতে যখন জেঁকে বসেছে শীত, তখন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শতাধিক দর্শক-শ্রোতা মেতেছেন পাশ্চাত্য সংগীতের সুরের মূর্ছনায়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগীতশিল্পী ফিলিপ হাজরা এবং রাশিয়ান পিয়ানোবাদক জুলিয়া ঈভদোকিমোভার ‘চেলো-পিয়ানো-ওডিও ৩’ শীর্ষক যন্ত্রসংগীতানুষ্ঠান। বাংলাদেশে ভায়োালিন, ভিয়োলা, চেলো এবং ডাবল বাস বিষয়ে পাশ্চাত্য শাস্ত্রীয় সংগীত প্রচারে ফিলিপ হাজরার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ২০০৭ থেকে তিনি আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় ভায়োলিন ও চেলো বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। অন্যদিকে জুলিয়া ঈভদোকিমোভা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পিয়ানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। বিশ^জুড়ে পিয়ানো বাজানোর জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। এই দুই শিল্পীর যন্ত্রসংগীতে এবার মুগ্ধ হলেন ঢাকার দর্শক-শ্রোতা। একক ও যৌথ উপস্থাপনায় ছিল বিভিন্ন ধরনের সংগীত এবং পশ্চিমা সংগীতজ্ঞ ও সুরকারদের অমর সৃষ্টি। লুডউইগ ভ্যান বিথোভেনের মিনুয়েট, ক্যামিল সেন্ট-সায়েন্সের দ্য সোয়ান, স্কুমানের  ট্রুমেরেই পরিবেশন করে ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন শিল্পীরা।

ওয়াইজঘাটে নতুন আর্ট গ্যালারি : রাজধানীর পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাটের বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টসে (বাফা) যাত্রা শুরু করল নতুন একটি আর্ট গ্যালারি। প্রাচীন ভবনটির দ্বিতীয় তলায় কয়েকটি কক্ষ মিলিয়ে প্রশস্ত স্থানে গড়া হয়েছে বাফা আর্ট গ্যালারি। শুক্রবার থেকে প্রদর্শনীর মাধ্যমে পথচলা শুরু করল এটি। এই গ্যালারিতে শুরু হয়েছে বাফার চারুকলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চিত্রকর্ম নিয়ে ‘দ্য স্ট্রাগল অব লিবারেশন অ্যান্ড মুজিব’ শীর্ষক প্রদর্শনী। নৃত্যাচার্য বুলবুল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষের বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ প্রদর্শনী। ৬১ শিল্পীর ৭০টি চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রদর্শনীটি। তিন সপ্তাহব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রদর্শনীতে অ্যাকাডেমিক কাজের পাশাপাশি নিরীক্ষাধর্মী চিত্রকর্মও উপস্থাপিত হয়েছে। লোকজ বাংলার শিল্পপ্রকরণের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শিল্পকর্ম যেমন রয়েছে তেমনি বিমূর্তধারার এক্সপেরিমেন্টাল শিল্পকর্মেরও দেখা মেলে। কারও কাজে প্রতিফলিত শিল্পের নানা গতিমুখের সংকেত। জলরং, তেলরং, অ্যাক্রেলিক ও মিশ্র মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে চিত্রকর্মগুলো। প্রদর্শনীটির কিউরেটিং করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চারু ও কারুকলা বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক উত্তম কুমার রায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত