আর্থিক সংকটের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে টেস্ট আয়োজন করতে না পারার ঘোষণা আগেই দিয়েছে আয়ারল্যান্ড। যে কারণে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সুযোগ নষ্ট হয় আইরিশদের। টেস্ট না পারলেও ওয়ানডে আয়োজন করা নিয়ে বিঘœ নেই। তাই আগামী মে মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে তারা। এই সফরেই তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার সূচি রয়েছে দুই দলের। টেস্ট যেহেতু হচ্ছে না, তাই একটি টি-টোয়েন্টি বাড়িয়ে মোট চার ম্যাচের সিরিজ আয়োজন করতে চায় আয়ারল্যান্ড। আর এই সিরিজটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ভেন্যু ঠিক হয়নি বলে সূচি প্রকাশ করেনি আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
আগামী বছর দু’দলের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ১৪ মে। বেলফাস্টের স্টরমন্ট ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই সিরিজের পরের দুই ম্যাচ হবে ১৬ ও ১৯ তারিখ। মে মাসের শেষ দিকে হওয়ার কথা ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজ। কিন্তু স্টরমন্ট স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থাপনা উন্নয়নের জন্য সিরিজটি পিছিয়ে দিয়েছে তারা। কারণ জুনের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজের সূচি আছে আয়ারল্যান্ডের। ঘরের মাঠে ওই সিরিজ সফলভাবে আয়োজন হাতছাড়া করতে চায় না তারা। তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ তারা অন্য ভেন্যুতে আয়োজন করতে চায়। যেহেতু টেস্ট বাতিল, তাই দুই বোর্ডের সমঝোতায় একটি বাড়তি টি-টোয়েন্টিসহ চার ম্যাচের সিরিজ আয়োজনের কথা ভাবছে আইরিশ ক্রিকেট কর্র্তৃপক্ষ। টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ইংল্যান্ডের কোনো মাঠ বেছে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডে প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিউট্রম জানান, ‘কোনো সন্দেহ নেই আমরা সবচেয়ে ব্যস্ততাপূর্ণ গ্রীষ্ম পেতে যাচ্ছি। আমরা একই সঙ্গে বিশ্বকাপের রানার্সআপ ও টি-টোয়েন্টির সেরা দলের বিপক্ষে হোমে খেলবে। এটা আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। আমরা ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের সেরা মাঠটি প্রস্তুত করছি। আশা করি যথাসময়ে ক্লনটার্ফ স্টেডিয়াম প্রস্তুত হবে।’ ডাউটর্ম বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ অন্য ভেন্যুতে আয়োজনের ব্যাপারে জানান, ‘যেহেতু আমরা ক্লনটার্ফকে পাচ্ছি না তাই ম্যালাহাইডে আইসিসি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সব ম্যাচ আয়োজন কঠিন। তবুও আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবছি। অন্য ভেন্যুর কথাও আছে। এই দিকে আমাদের সামনে ইংল্যান্ডের কোনো ভেন্যুতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো আয়োজনের পথ খুলছে।’
