টার্গেট একেবারে ছোট ছিল না। কিন্তু মেহেদি হাসান মিরাজের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যটা নেহাত মামুলি বানিয়ে ফেললো খুলনা টাইগার্স। সিলেট থান্ডারকে উড়িয়ে বিপিএল’র পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করল মুশফিকুর রহিমের দল।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেটকে ৮ হারায় খুলনা। ১৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
দলকে অসাধারণ শুরু এনে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিরাজের ওপেনিং জুটি। ১১৫ রানের দুটিতে ফাটল ধরান সিলেটের পেসার এবাদত হোসেন। তার বলে নাঈম হাসানকে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩১ বলে পাঁচ চারে ৪১ রান করেন শান্ত।
ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত রাখেন মিরাজ। ৬২ বলে নয় চার ও তিন ছক্কায় হার না মানা ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। এর মধ্য দিয়ে চলতি বিপিএলে রানখরা কাটালেন মিরাজ। টুর্নামেন্টে এটাই তার প্রথম পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংস। ১৫ রান করেন রাইলি রুশো।
এর আগে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৪ উইকেটে ১৫৭ রান করে সিলেট থান্ডার।
দলকে ভালো শুরু এনে দেন আন্ড্রে ফ্লেচার ও রুবেল মিয়ার ওপেনিং জুটি। দলীয় ৬২ রানে এই জুটিতে ফাটল ধরান খুলনার জিম্বাবুয়ের পেসার রবি ফ্রাইলিঙ্ক। উইকেট ছাড়ার আগে ২৪ বলে চার চার ও দুই ছক্কায় ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন ফ্লেচার।
দ্বিতীয় উইকেটে জনসন চার্লসকে সঙ্গী করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রুবেল মিয়া। ৩৯ রানের জুটি গড়ে ফেরেন চার্লস (১৭)। দলীয় ১০৩ রানে উইকেট ছাড়া হন রুবেল। এর আগে ৪৪ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ৩৯ রানের ধীরস্থির এক ইনিংস খেলেন দেশীয় এই ক্রিকেটার।
অন্যদের মধ্যে শেরফান রাদারফোর্ড অপরাজিত থেকে ২০ বলে ২৬ ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ১৮ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।
খুলনার বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন ফ্রাইলিঙ্ক ও শহিদুল ইসলাম।
ম্যাচটিতে জয় দিয়ে সিলেটের বিপক্ষে প্রতিশোধও নিল খুলনা। এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষটির কাছে ৮০ রানে হেরেছিল তারা।
টেবিলের তৃতীয়স্থানে থাকা খুলনার পয়েন্ট দাঁড়াল সাত ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১০।
শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পয়েন্ট আট ম্যাচে ছয় জয়ে ১২। ছয় ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ও রান রেটে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়স্থানে আছে রাজশাহী রয়্যালস।
