সরকারি চাকরিজীবীদের গৃহঋণের সুদহার ১ শতাংশ কমিয়ে নির্ধারণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এখন থেকে এ ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ কার্যকর হবে। এতদিন এ ধরনের সুদহার ছিল ১০ শতাংশ।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় সরকারি চাকরিজীবীদের ফ্ল্যাট কেনা ও জমি কিনে গৃহনির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দেওয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালায় ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা হয় ১০ শতাংশ। এর মধ্যে ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী দেবেন ৫ শতাংশ ও সরকার ভর্তুকি হিসেবে ব্যাংকগুলোকে দেবে ৫ শতাংশ।
সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হওয়ার পর চাকরিজীবীদের গৃহঋণের সুদহার দুই অঙ্কের ঘর থেকে কমিয়ে এক অঙ্কে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই গত রবিবার অর্থ বিভাগের উপসচিব দিল আফরোজা স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে।
সুদহার ১ শতাংশ কমলেও তাতে চাকরিজীবীদের লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকছে না। কারণ নীতিমালা অনুযায়ী তাদের ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধের শর্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে এ খাতে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ কমবে। সরকার এতদিন ভর্তুকি বাবদ অর্ধেক সুদ পরিশোধ করত, এখন ৪ শতাংশ পরিশোধ করবে।
