টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশন : মন্ত্রী হব না

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২০, ১২:৫৯ এএম

আমি খুব ভালো করে জানি শিরোনামটি পড়ার পরই আমার শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সবাই একবাক্যে ঈশপের গল্পের খেঁকশিয়ালের মতো বলে উঠবেন : আঙুর ফল টক। এ কথা যারা বলবেন, তাদের অধিকাংশই মধুমেহ রোগগ্রস্ত, দক্ষতার সঙ্গে তারা শুধু সুগার ডিসচার্জ করে থাকেন। তারা এটাও জানেন চিনি, মিছরি, বাতাসা ও চমচমের মতোই মিষ্টি আঙুর তাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফলটা টক হলেই বরং নিরাপদ এবং সুপথ্য। শেয়ালরা ডায়াবেটিসের তোয়াক্কা করে না, তা ছাড়া শেয়ালদের সম্ভবত মন্ত্রিশাসিত রাষ্ট্রও নেই। গল্পকার ঈশপ শেয়াল, ইঁদুর, কাক, সিংহ, বাঘ, ভালুক, বাঘ, মিথ্যাবাদী রাখাল নিয়ে গল্প বলেছেন; মন্ত্রী নিয়ে একটি গল্পও বানাতে পারেননি। এটা স্বীকার করতেই হবে, আমাকে মন্ত্রী করা হবে, আমি মন্ত্রিত্ব পাব, এমন আশ্বাসে দুই যুগ কাটিয়ে দিয়েছি। এখন আর আশ্বাসও পাচ্ছি না সুতরাং আর অপেক্ষা নয়, জাতি দেখুক পটল তোলার আগেই আমি মন্ত্রী না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এটা যেনতেন সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক সিদ্ধান্ত নয়, এটা আমার টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশন : সাধলেও আমি মন্ত্রী হব না। মন্ত্রী না হওয়ার পক্ষে একটি কড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছি : জনগণ মন্ত্রীদের প্রতারণা করে থাকে। আমি জলজ্যান্ত উদাহরণ দিয়ে প্রতারণার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করব এবং আমার টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশন যে সুবিবেচনাপ্রসূত, তা প্রমাণ করব।

প্রথম প্রমাণ

নাসিরউদ্দিন হোজ্জাকে একবার বাংলাদেশের মন্ত্রী করা হয়। কোন মন্ত্রণালয় সেটা বলব না, তাহলে সাবেক ও হাল মন্ত্রীরা নিজেদের হোজ্জার সঙ্গে মেলাতে চেষ্টা করবেন। সোনারগাঁও হোটেলে শাড়ির ফ্যাশন শোতে প্রধান অতিথি করে আনা হয়েছিল। চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া সেরা সুন্দরী কজন মডেল তাঁত, জামদানি, কাঞ্জিভরম, সম্বলপুরি, বেনারসি, কাতান, শিফন, জর্জেট প্রভৃতি শাড়ি পরে ক্যাটওয়াক করে সবাইকে মুগ্ধ করল। মন্ত্রী নাসিরউদ্দিন হোজ্জাও মুগ্ধ হলেন। একটু বেশিই মুগ্ধ। রেওয়াজ অনুযায়ী অনুষ্ঠানের শেষে সুদৃশ্য প্যাকেটে মন্ত্রীকে শাড়ি উপহার দিতেই তিনি মন বেজায় ভার করে ফেললেন। সমাপনী বক্তৃতা ও প্রধান অতিথির ভাষণ দিতে গিয়ে অত্যন্ত বিমর্ষবদনে বললেন, এ কী অনাচার। দেখানোর সময় সুন্দরী মডেল আর দেওয়ার সময় নিষ্প্রাণ শাড়ি! আমি প্রতারিত বোধ করছি। এই মন্ত্রিত্ব আমার আর চাই না। এতে ব্যক্তি হিসেবে কেবল আমার সঙ্গে নয়, মন্ত্রী হিসেবে এই ঐতিহ্যবাহী পদটির সঙ্গেও প্রতারণা করা হয়েছে। নারিসউদ্দিন হোজ্জা মনের দুঃখে সে সময় পদত্যাগ না করলেও রিশাফলিংয়ের সময় বাদ পড়ে যান।

দ্বিতীয় প্রমাণ

সর্দারজিও মন্ত্রী হলেন। তিনি গণমুখী ব্যক্তি। পতাকা, প্রটোকল, পুলিশ প্রোটেকশন এসবের ধার ধারেন না। দূরের জেলায় একটি উদ্বোধনকর্ম সেরে তিনি ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন। ক্লান্তিও ট্রেনের দুলুনিতে তার ঘুম এসে যায়। ঘুমিয়ে পড়ার আগক্ষণে পাছে নিজের স্টেশন পেরিয়ে চলে যান এই আশঙ্কায় একজন যাত্রীকে ১০০ টাকা দিয়ে তার স্টেশনের নাম বললেন এবং স্টেশন এলে তাকে ডেকে দিতে অনুরোধ করলেন। সেই যাত্রী ভাবলেন, এই সামান্য উপকারের বিনিময়ে একশত টাকা নেওয়াটা অমানবিক হবে। তিনি ঘুমন্ত মন্ত্রীর গা মাসাজ করতে শুরু করলেন। মাসাজের আরামে তার ঘুম আরও গাঢ় হলো। সেই যাত্রী ছিলেন পেশায় ক্ষৌরকার। যন্ত্রপাতির বাক্সটি সঙ্গেই ছিল। টাকাটা সেবার বিনিময়ে নিতে বাধা নেই, কিন্তু সেবাটা হতে হবে টাকার সমানুপাতিক। তিনি তাড়াতাড়ি ব্যাগ টেনে ছুরি-কাঁচি বের করে ঘুমন্ত মন্ত্রীর দাড়িটা শেভ করে দিলেন। এবার টাকা পুরোটা নিলেও আর মনের মধ্যে খচখচানি থাকবে না। যথাসময়ে স্টেশন এলো, ক্ষৌরকার সহযাত্রী সর্দারজি মন্ত্রীকে ডেকে নামিয়ে দিলেন। দাড়িহীন সর্দারজিকে দেখে তার স্ত্রী চিৎকার করে ওঠেন, এ কী অবস্থা!  অবস্থা নিজ চোখে দেখার জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেই চিৎকার দিয়ে ওঠেন এবং বলেন, জনগণকে বিশ্বাস করতে নেই। ঘুম থেকে ডেকে তোলার জন্য ট্রেনের একজন যাত্রীকে একশত টাকা দিয়েছিলাম। শালা প্রতারক আমাকে না ডেকে অন্য কাউকে ঘুম থেকে তুলে পাঠিয়ে দিয়েছে। মন্ত্রী হয়ে আমি জনগণের প্রতারণার শিকার হতে চাই না। আমার টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশনের পক্ষে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি অবশ্যই উপস্থাপন করতে হবে আর তা হচ্ছে পদত্যাগ। জনগণ যে কতটা স্বৈরাচারী ও অবিবেচক তা একবার মন্ত্রী না হলে টের পাওয়া যায় না। হাসিমুখের তো সর্বত্রই জয়জয়কার। ডাক্তার বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসিখুশি থাকুন, সুস্থ থাকুন, এমনকি মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে কী-ই না কষ্ট করেন। সেই হাসি রমণীমোহন, সেই হাসি শত্রুতেও কুপোকাত করে দেয়। হাসি মানুষকে রাজা বানায় হাসির রাজা গোপাল ভাঁড়। হাসি নিয়ে হৃষ্টচিত্তে লিখে গেছেন সুকুমার রায়। রবীন্দ্রনাথের গানে মানুষের তো বটেই, এমনকি চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙে উথলে উঠে আলো, নজরুলের হা হা অট্টহাসি এখনো প্রতিধ্বনিত হয়। অথচ এই বাংলাদেশেই একজন মন্ত্রীর হাসি সহ্য করতে না পেরে পদত্যাগের দাবি ওঠায় এই জনগণ। পদত্যাগ তিনি করেননি, করার কথাও নয়, আমি হলেও করতাম না, রিশাফলিংয়ে তিনি বাদ পড়ে যান। তালিকায় ভুলচুক, মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই তালিকা কি মন্ত্রী নিজের হাতে তৈরি করেছেন? ট্রেন অ্যাক্সিডেন্ট, মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই কেন, মন্ত্রী কি ড্রাইভার, না গার্ড, না টিটি?

আমি পদত্যাগও করতে চাই না, রিশাফলিংয়ে বাদও পড়তে না তাহলে তো আমার একটি মাত্র অপশন! মন্ত্রী না হওয়া। একবার মন্ত্রী হওয়ার পর পদত্যাগ, বরখাস্ত, রিশাফলিং যেকোনো একটিতে যদি আমার মন্ত্রিত্ব চলে যায় তার দায় অবশ্যই জনগণের। একবার আমার স্ত্রীর কথা ভাবুন। আমি মন্ত্রী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পুরনো সব পরিচয় লোপ পেয়েছে তিনি হয়ে উঠেছেন মন্ত্রী-ভাবি, মন্ত্রী-মামি, মন্ত্রী-চাচি, মন্ত্রী-আন্টি, মন্ত্রী-ফুফু, মন্ত্রী-খালা, মন্ত্রী-বেয়াইন প্রতিটি পদে পদে তার পরিচিতির প্রিফেক্স হচ্ছে মন্ত্রী। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে আমার স্ত্রী শুনবেন মাইকে প্রচারিত হচ্ছে : এই মাত্র এসে পৌঁছেছেন আমাদের প্রিয় মন্ত্রী-ম্যাডাম। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে গেলে শুনবেন, আগে মন্ত্রী-ভাবি কনের গায়ে হলুদ দেবেন, তারপর অন্যরা। কেবল আমার মন্ত্রী হওয়ার কারণে তৃতীয় বিভাগে এসএসসি পাস করা আমার স্ত্রী বসবেন প্রথম কাতারে, খাবেন ফ্রন্ট টেবিলে, প্লেনে চড়বেন বিজনেস ক্লাসে, এয়ারপোর্টে স্টেশনে ভিআইপি লাউঞ্জে। তার সঙ্গে সেলফি তুলতে এগিয়ে আসবে মিস বাংলাদেশ, মিস সারেগামা, মিস ভরতনাট্যম এবং ফটোসেশনে তার পাশে বসবেন ভাইস চ্যান্সেলর, সিনিয়র সেক্রেটারি, চেম্বারের প্রেসিডেন্ট।

পদত্যাগ, বরখাস্ত কিংবা রিশাফলিংয়ে বাদ পড়ার কারণে রাতারাতি আমার স্ত্রীর অবস্থান কোথায় নেমে যাবে আপনাদের কোনো ধারণা আছে? এই শক্ ও শোক সামলে আবার স্বাভাবিক সংসারে ফিরে আসা কতটা চ্যালেঞ্জিং, একবার ভাবুন। মিস বাংলাদেশ, মিস সারেগামা, মিস ভরতনাট্যম, মিস পালমোলিভ সাবান আমার সঙ্গেও ছবি তুলবে, আমি জানি তাদের মন্ত্রী-ম্যাডাম এটা ভালো চোখে দেখবে না আমি অবশ্য এটাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে করি না, ভেবে নিই প্রফেশনাল হ্যাজার্ড। আমার মন্ত্রিত্ব না থাকলে সবচেয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়বে আমার শ্যালিকা মন্ত্রীর শ্যালিকা হিসেবে তার স্ট্যাটাস আকাশ ছুঁয়ে যাবে, পরীক্ষার সময় তরুণ লেকচারারদের এক্সট্রা খাতিরে পাঁচের বদলে দশ পাবে, শহরের সবচেয়ে ধনী পরিবারের ছেলেটির পক্ষে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবে আর শ্যালিকা যাকে ভালোবাসে দুলাভাইয়ের দাপটে তাকে নাকানি-চুবানি খাওয়াবে। ড্যাম্প করে দেওয়ার হুমকি দেবে। এক জীবনে যে নারী আমার প্রেম প্রত্যাখ্যান করেছিল, আমার মন্ত্রী হওয়াটাই হতে পারত তার চরম প্রতিশোধ, কিন্তু মন্ত্রিত্ব চলে গেলে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সে-ই বলবে, আগেই জানতাম টিকবে না, ওটা একটা অকালকুষ্মাণ্ড। এটা তো মিথ্যে নয়, মন্ত্রী হলে ছাপাখানার ভূতও তাকে পেয়ে বসে। রাধারমণ রায় যখন কেবল অধ্যাপক ছিলেন, তখন তার নাম কখনো ভুল ছাপা হয়নি। মন্ত্রী হওয়ার পরই পত্রিকায় তার নাম ছাপা হলো গাধারমণ রায়। পরদিন পত্রিকার প্রথম পাতায় মুদ্রণ প্রমাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে লিখল ‘প্রকৃতপক্ষে তিনি গাধারমণ রায় নহেন। গাধার স্থলাভিষিক্ত হইবে রাধা’। এভাবে তাকে নতুন নামে প্রতিষ্ঠিত করে তার মেয়ে ক্লাস সেভেনের অনুরাধার জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করল।

মন্ত্রিত্বের অনুষঙ্গের শেষ নেই। পতাকাশোভিত গাড়ি থেকে শুরু করে এপিএস, পিআরও আরও কত কিছু। কিন্তু মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়া ‘দ্য ফল অব রোমান এম্পায়ার’-এর চেয়ে কম কিছু নয়। বুদ্ধিজীবীরা মন্ত্রীদের দুচোখে দেখতে পারেন না, এমনকি আদ্রে মালরো যখন ফ্রান্সের মন্ত্রী ছিলেন, হুমায়ুন কবির যখন ভারতের মন্ত্রী ছিলেন কিংবা আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ যখন বাংলাদেশের মন্ত্রী ছিলেন, বুদ্ধিজীবীরা অনেকেই তাদের বিরুদ্ধেও লেগেছিলেন অথচ তারা তিনজনই বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধি কম থাকলে তো কথাই নেই। টকশোতে পত্রিকার পাতায় যত খোঁচা মারা যায়, তার সবই করবেন। আবার বিনে পয়সায় হজে যাওয়ার জন্য তোষামোদ করতেও ছাড়বেন না। আমি বুদ্ধিজীবীদের বিশেষ করে, সরকার-ভজা বুদ্ধিজীবীদের দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকতে চাই। তারা সুযোগ নেবেন, হালুয়া খাবেন আবার সুযোগ বুঝে মন্ত্রীদের পেঁয়াজের দোষ, আলুর দোষও ধরবেন। সর্বনাশ করে গেছেন সলিল চৌধুরী নামের এক গীতিকার-সুরকার-গায়ক। তার গানের পাত্র পেঁয়াজ খায়, সব সময় খায় না, খায় যখন নেশা করে; নেশা সব সময় করে না, করে যখন বাইজিবাড়ি যায় এ রকম অনেক বর্ণনার পর দেখা যায় পাত্র ইলেকশন করবে, এমপি হবে, মন্ত্রী হবেÑঅমনি তার সব দোষ চলে যাবে। এটা একটা কথা হলো, সলিল চৌধুরীকে একবার টেকনিক্যাল কোটায় মন্ত্রী বানালেই বুঝতেন ধান আর চালের অনুপাতটা আসলে কী। আমি মন্ত্রী হলেও পেঁয়াজ, আলু, নেশা, বাইজি, ক্যাসিনো এসবের কথা বলার লোকের ঘাটতি পারবে না। সুতরাং ঠিকই নিয়েছি টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশন। না, না, না, আমি মন্ত্রী হতে যাব না। হঠাৎ মনে হলো, অন্যরাও যদি এমন টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশন নিয়ে নেন, তাহলে সরকার মন্ত্রী পাবে কোথায়? তাহলে দেশ চলবে কেমন করে?  আছে, অধিকতর নিরপেক্ষ পদ্ধতি রয়েছে। হাতির শুঁড়ে মালা দিয়ে হাতি ছেড়ে দেওয়া হবে রাজনৈতিক দল-মত-নির্বিশেষে হাতি তার পছন্দমতো একজনের গলায় মালা পরিয়ে শুঁড়ে তুলে নিয়ে আসবে। যে কজন মন্ত্রীর দরকার, সে কটা হাতি ছাড়া হবে।

তেমন যদি হয় আর হাতি যদি একটা মালা আমার গলাতেই ঝুলিয়ে দেয়, তখন কী আর করা বাকি সব প্রফেশনাল হ্যাজার্ড মনে করে আমার টোয়েন্টি টোয়েন্টি রেজুলুশনটা একটুখানি রিভাইজ করব। গবেষকরা নিউ ইয়ার্স রেজুলুশন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, নববর্ষের ওয়াদা বাস্তবায়নের কাজ সাত দিন পুরোদমে চলে, এক মাস পরে এর কোনো নাম-নিশানাই থাকে না। নিই ইয়ার্স রেজুলুশন ভঙ্গ করা দোষের কিছু নয়। এর জন্য দায়ী টেম্পোরাল মায়োপিয়া। ঠিক একই কারণে মন্ত্রীরাও নির্বাচন মেনিফেস্টোতে কী লেখা আছে ভুলে যান। তবে মন্দ জনতা সহজে কিছু ভুলতে চায় না।লেখক

সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, লেখক ও কলামনিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত