নবাগত পুলিশ ফুটবল ক্লাবকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠেছে বসুন্ধরা কিংস।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে তপু বর্মণের পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল করে সহজ জয় নিশ্চিত করে কিংস। ৫ জানুয়ারি ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ।
এদিন সকাল থেকেই ছিল বৃষ্টি। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ ছিল খানিকটা পিচ্ছিল। বৈরী প্রকৃতি ও প্রতিকূল মাঠে স্বভাবতই অঘটনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেক। ম্যাচ শুরুর পর তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। প্রথম ১০ মিনিটে পুলিশ রীতিমতো প্রেসিং ফুটবল খেলতে থাকে কিংসকে গুছিয়ে ওঠার সুযোগ না দিয়ে।
দশম মিনিটে গোলের ভাল একটা সুযোগ তৈরি করে পুলিশ। বুলগেরিয়ার মিডফিল্ডার লাসকভ অ্যান্তোনিও দুর্দান্ত ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন, কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে কিংসের জয়ের নায়ক আনিসুর রহমান জিকো দারুণভাবে তা ফিরিয়ে দেন।
এর পর থেকে গুছিয়ে খেলতে থাকে খানিকটা নতুন রূপে এই ম্যাচ শুরু করা কিংস। স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন উইং থেকে দলের কোস্টারিকান প্লে-মেকার দানিয়েল কলিনদ্রেসকে স্ট্রাইকিং পজিশনে নিয়ে আসেন। আর মতিন মিয়াকে পাঠিয়ে দেন উইংয়ে।
এই কৌশলের ফলটা তারা পেতে শুরু করে ১৬ মিনিট থেকে। তাজিকিস্তানের ডিফেন্ডার বখতিয়ার দুইশবেকভ দারুণ একটা থ্রু ঠেলেছিলেন কলিনদ্রেসকে। বক্সের ভেতরে সুবিধাজনক স্থানে এই বল পেয়ে যান কলিনদ্রেস। এ অবস্থায় তাকে ফেলে দেয়া ছাড়া উপায়ও ছিল না পুলিশ ডিফেন্ডার খান মোহাম্মদ তারার। পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তপু বর্মণ।
২৯তম মিনিটে মতিন মিয়ার ক্রসে মাহবুবুর রহমান সুফিলের প্রচেষ্টা বারের উপর দিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে আরও বেশি ক্ষুরধার দেখা গেছে কলিনদ্রেসকে। ৫০তম মিনিটে পুলিশের কিরগিজ ডিফেন্ডার আর্থার মুলাদঝনভকে পেছনে ফেলে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন এই কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড।
যোগ করা সময়ে সিডনি রিভেরাইরার জোরালো শট অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বাইরে গেলে ব্যবধান কমানো হয়নি পুলিশের। উল্টো পরের মিনিটে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার নিকোলাস দেলমন্তে গোল করে কিংসের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
