সৌম্য-মালানে বেঁচে থাকল কুমিল্লার আশা

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:১৯ পিএম

বিপিএলে সিলেট থান্ডার দলটা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছিল আগেই। বলতে গেলে বিপিএলের মাঝ পথেই আসর থেকে ছিটকে যাওয়া একরকম নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের। মঙ্গলবার কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেও স্মরণীয় কোনো কিছুর ছাপ রাখতে পারল না দলটা। সিলেটকে সব মিলে ১১তম হারের স্বাদ দিল কুমিল্লা। আর এই জয়ে প্লে-অফ খেলার আশা বেঁচে থাকল সৌম্য সরকারদের।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এদিন ৫ উইকেটের জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। ১৪২ রানের ছোট্ট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা একপর্যায়ে বেশ চাপেই পড়ে যায়। ১০ ওভারে ৩ উইকেটে হারিয়ে মাত্র ৪৭ রান তুললে পেরেছিল দলটা। সেখান থেকে ডেভিড মালান ও সৌম্য সরকারের ফিফটিতে কুমিল্লার জয় নিশ্চিত হয়। অধিনায়ক মালান সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন। সৌম্য অপরাজিত থেকে যান ৫৩ রানে।

১০ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট কুমিল্লার। আরো দুই ম্যাচ বাকি তাদের। শেষ চার নিশ্চিত করতে অবশ্য তাদের শুধু নিজেদের ম্যাচ নয়, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকেও। কারণ তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে ঢাকা প্লাটুনের পয়েন্ট ১২। ওদিকে খুলনার এক ম্যাচ কম খেলে কুমিল্লার সমান পয়েন্ট। এরই মধ্যে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম শেষ চার নিশ্চিত করে ফেলেছে। বাকি দুই দলের জন্য এখন অন্যদের জমাট লড়াই। আর সিলেট ১২ ম্যাচে ১ জয়ে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে আসর শেষ করল।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে সিলেট পারেনি নিজেদের স্কোরটা বড় করতে। যে জন্য দায়ী অবশ্যই আন্দ্রে ফ্লেচার, আব্দুল মজিদের ধীর শুরু। নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১৪১ রানের বেশি সংগ্রহ পায়নি সিলেট। ৪০ বল খেলে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন ওপেনার আব্দুল মজিদ। অন্যদের মধ্যে জনসন চার্লস ২৬, জিভান মেন্ডিস ২৩, ফ্লেচার ২২, মিঠুন ১৮ রান করেন। কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন আল-আমিন হোসেন ও ডেভিড উইজ।

কিন্তু সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও কুমিল্লা বিপাকে পড়ল। দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা (৪) ও ফারদিন হাসান ব্যর্থ (১)। তিন নম্বরে মালান উইকেটে এলেও ধীর গতিতে এগোচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে দলীয় ৩২ রানে মহিদুল ইসলাম অঙ্কনও (১১) বিদায় নেন। চাপটা তাতে বাড়ে আরো।

সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে মালান ও সৌম্যর ৭২ রানে জুটি হলো। ধীরে ধীরে চাপ কাটিয়ে কুমিল্লাও হাঁটল জয়ের পথে।

ইবাদতের শিকার হয়ে ফেরার আগে মালান ৪৯ বলে নিজের ইনিংসটি সাজান ২টি করে চার ও ছক্কায়। মালানের বিদায়ের পর ডেভিড উইসে ফিরেছিলেন ব্যক্তিগত ১৩ রানে। তবে ততক্ষণে সৌম্যর ব্যাট জ্বলে উঠেছে। কুমিল্লাকে তাই আর ভাবতে হয়নি। সৌম্য নিজের ইনিংস সাজান ৩০ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায়। ম্যাচসেরা হয়েছেন মালান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত