আদমজী ইপিজেড

পাটপণ্য ও টার্মিনালের প্লট নিচ্ছে না কেউ

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০৭ এএম

রপ্তানিমুখী পাট পণ্যের কারখানা এবং কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আদমজী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কর্র্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বিশাল জায়গা সংরক্ষণ করে আসছে। কিন্তু এই দুই খাতের উদ্যোক্তারা সেখানে কারখানা বা টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহ দেখাননি। এ পরিপ্রেক্ষিতে এখন ওই জায়গা সব ধরনের শিল্পকারখানার বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্র্তৃপক্ষের (বেপজা) গভর্নিং বোর্ড। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গভর্নিং বোর্ডের ৩৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই সভার কার্যপত্রে বলা হয়েছে, আদমজী ইপিজেডের ভেতরে বিজেএমসির ২ নম্বর মিলের পরিত্যক্ত স্থাপনা সরিয়ে ফেলার পর সেখানে ১০টি শিল্প প্লট তৈরি হয়। প্লটগুলো শুধুমাত্র রপ্তানিমুখী পাটজাত পণ্যের শিল্পকারখানাকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। গত চার বছর ধরে বেপজা অনেক চেষ্টা করেও পাটজাত পণ্যের শিল্পোদ্যোক্তাদের এখানে কারখানা স্থাপনে রাজি করাতে পারেনি। কারণ ইপিজেডের কারখানা রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পায় না। এদিকে নৌপথে ইপিজেডের পণ্য আমদানি-রপ্তানির জন্য শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে একটি কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয় বেপজা। প্রথমে ঠিক হয় ‘নির্মাণ যার পরিচালনা তার’ (বিল্ড ওন অপারেট বা বিওও) পদ্ধতিতে এ কন্টেইনার টার্মিনাল করা হবে। কিন্তু কোনো উদ্যোক্তা এ প্রস্তাবে সাড়া দেননি। এরপর ব্যক্তিমালিকানায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় বেপজা। এরপর ডার্ট গ্লোবাল লজিস্টিক নামে একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়। দেশি দুটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কন্টেইনার টার্মিনালের জন্য রাখা ১৪ হাজার ৮৬৮ বর্গমিটার জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু আদমজী ইপিজেডে কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণের প্রয়োজন অনেকটা কমে গেছে। এজন্য রপ্তানিমুখী পাট পণ্যের কারখানা এবং কন্টেইনার টার্মিনাল স্থাপনের জন্য রাখা জায়গা এখন সব ধরনের শিল্পকারখানার বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে পাট শিল্প অগ্রাধিকার পাবে।

বেপজার গভর্নিং বোর্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খুলনা অঞ্চলে অনেক পাটকল রয়েছে। তার যেকোনো একটিতে বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদনের জন্য ‘পাট শিল্প পার্ক’ স্থাপনের উদ্যোগ নেবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত