ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে কেউ অনিয়ম করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, ‘অনিয়ম করলে সোজা জেলাখানায় ঢোকাব।’
শুক্রবার রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব বলেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে ইসি রফিকুল বলেন, ‘প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা অনিয়ম বা ভুল করলে এর দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর পড়ে। একসঙ্গে বেশি সাংবাদিক কেন্দ্র ঢুকতে দেবেন না, সাংবাদিকদের বুঝিয়ে বলবেন, বুঝিয়ে না বললে তারা নিউজ (সংবাদ) করবে— কেন্দ্র প্রবেশে বাধা দিচ্ছে’।
তিনি বলেন, ‘ফল তৈরির সময় সব প্রার্থীর একজন করে উপস্থিত রাখবেন এবং তাদের স্বাক্ষর রাখবেন। কোনো প্রিজাইডিং অফিসার বা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার অনিয়ম করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে কমিশন।’
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রসঙ্গে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সবকিছু সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। যদি জিনিসটা ভালো হয় আমরা ব্যবহার করব। যিনি সমস্যার কথা বলছেন হয়ত তিনিও ব্যবহার করবেন। কিন্তু যদি কোনো সময় সমস্যা হয় ব্যবহার করব না। সেটি কোন সময় তা আইডেন্টিফাই হলে তখন সেটি দেখব। এখন পর্যন্ত কোন ত্রুটি দেখা যায়নি। এর মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুন্দর আইনানুগ হবে।’
এ সময় উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব মো. আবুল কাসেম, নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. নুরুজ্জামান তালুকদার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম সাহতাব উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
