দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

ভোটের রাতে পোলিং এজেন্ট কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:১০ এএম

ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর মোহাম্মদপুরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার রহিম ব্যাপারী ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন শিকদার (২৪) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্টনের লালমাটিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট ছিলেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

সুমন সিকদারের বাবা আনোয়ার আহমেদ একজন গাড়িচালক। লালমাটিয়ার ৪/২ ব্লকে তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সুমন সবার বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতিতে।

মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. হারুন বলেন, ‘সুমন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে আসি। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।’

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ওয়াহিদুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে জানান, নিহত সুমনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে গতকাল শনিবার দিনভরই বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ভোর থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাংবাদিকসহ ২৫ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অধিকাংশই আহত হয়েছেন ইটপাটকেলের আঘাতে। দুজন আহত হয়েছেন ছুরিকাঘাতে।  তবে সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকেই ওই জায়গা থেকে সরিয়ে দেয়।  শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি কর্মীরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে। সে সময় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা হামলা চালালে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিএনপি মহাসচিবের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও ঢিল ছোড়ে। বিএনপি কর্মীরা তাদের ধাওয়া করে। হামলার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকার দুই সিটির ভোট শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যায়। তখন বিএনপির নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের মিছিলকে লক্ষ্য করে ‘ভোট চোর’, ‘ভোট চোর’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আবারও মিছিল নিয়ে এসে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনার পর আওয়ামী লীগের ৫ কর্মী ঢামেক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মো. জমিল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হওয়ায় আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিই। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি শান্ত হয়।’ কোনো আহত বা আটকের ঘটনা নেই বলে জানান তিনি।

সিদ্ধেশ্বরীতে আহত ৫ : সিদ্ধেশ্বরী ভিকারুননিসা স্কুল কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল বাশারের সমর্থকদের হামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী মুন্সী কামরুজ্জামান কাজল ও তার ছেলে ফাহাদুজ্জামানসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে ঢামেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহত অন্যরা হলেন ছেলের বন্ধু ফাহিম (২০), আহমেদ রেজা শাকিল (২০) ও শেখ শামছুল আলম (৩২)। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ভিকারুননিসা স্কুল কেন্দ্রে এই হামলা প্রসঙ্গে কামরুজ্জামান কাজল বলেন, তিনি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এবার তাদের ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেয়নি। এজন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ভোট শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে তিনি কয়েকজন সমর্থক নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকছিলেন। এ সময় আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল বাসার ও তার লোকজন তাদের লোহার রড, লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। ঢামেক হাসপাতালে কাজলের নাক দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা গেছে। অন্যরা কিলঘুষির আঘাতে আহত হন।

লালমাটিয়ায় ছুরিকাঘাতে আহত ২ : লালমাটিয়া মহিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে শনিবার সকালে ঢাকা উত্তরের ২৯, ৩০ ও ৩২ নং মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রুজি জয়ীতার (হেলিকপ্টার মার্কা) পোস্টার লাগানোর কাজ করার সময় ৩২ নং ওয়ার্ডের হাসানুল ইসলাম রাষ্ট্রনের (ঠেলাগাড়ি মার্কা) লোকজনের হামলায় রনি (১৭) ও শিপন (১৯) নামে দুজন আহত হয়। তাদের বাম হাতে এবং মুখমণ্ডলে ছুরিকাঘাত জনিত জখম রয়েছে।

ডেমরায় আহত ৫ : ভোট শুরুর আগে ডেমরার কোনাপাড়ায় ঢাকা দক্ষিণের ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে আনারস মার্কার প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনিরা চৌধুরী, তার স্বামী আতিকুর রহমান, ছোট ভাই মাসুম চৌধুরী ও তার সমর্থক রাসেলকে প্রতিপক্ষ প্রার্থী নিলুফার ইসলামের (মোবাইল মার্কা) সমর্থকরা কিলঘুষি মেরে আহত করে। তাদের ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তেজগাঁওয়ে আহত ২ : শনিবার সকালে তেজগাঁও নাখালপাড়ার শাহিনবাগ সিভিল এভিয়েশন স্কুল কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মঞ্জুর সমর্থকের ইটপাটকেলে ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন কাঞ্চনের সমর্থক সাখাওয়াত হোসেন খোকন (৪৫) মাথায় আঘাত পেয়েছেন। একই ঘটনায় মঞ্জুর সমর্থক আ. মালেকও (৬২) আহত হন। সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে তাদের ওপর ইটপাটকেল ছোড়া হয়।

কাঁঠালবাগানে আহত ২ : কাঁঠালবাগান এলাকার খান হাসান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মারধরের শিকার হয়ে বিএনপির কাউন্সিলর সমর্থক দুজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদেরকে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আহতরা হলেনÑ আতিক (৩৫), তার মাথায় আঘাত লেগেছে। এ ছাড়া নাসির উদ্দিন (৩৩) নামে একজনের শরীরে কিলঘুষির আঘাত রয়েছে।

উত্তরায় আহত ২ : উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর ভোটকেন্দ্রে আহত হন দুজন। তারা হলেন মিরাজ (৩৫) ও সাদ্দাম হোসেন (২৫)। তাদের ঢামেকে ভর্তি করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ীতে আহত ২ : যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা দক্ষিণের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে ইদ্রিস আলী (৩০) নামে আওয়ামী লীগ সমর্থক আহত হয়েছেন। যাত্রাবাড়ী ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে আহত হন সাগর (২৩) নামে এক যুবক। তিনি জাতীয় পার্টির সমর্থক বলে দাবি করেন।

আজিমপুরে ছাত্রলীগ নেতা আহত : দুপুরে আজিমপুর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন কেন্দ্রে আহত হন ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি জুবায়ের হোসেন শ্যামল (২৫)। তার দাবি বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করেছে।

উত্তরায় প্রার্থী ও এজেন্টকে মারধর : উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও তার এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আফসার উদ্দিনের লোকজনের বিরুদ্ধে এ মারধরের অভিযোগ ওঠে। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই কেন্দ্র থেকে তার ২৭ জন এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

সাঁতারকুলে আহত ৩ : গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে বাড্ডার সাঁতারকুলে ৪১ নং ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল মতিন ও শফিকুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় অন্তত তিনজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গে-ারিয়ায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া : ঢাকা দক্ষিণের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে গেণ্ডারিয়া থানার সামনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে এই এলাকায় আতঙ্ক ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে দুপক্ষের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন।

লালমাটিয়ায় ডেইজীকে মারধর : লালমাটিয়ায় জাতীয় পার্টির কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক প্রার্থী ডেইজী সারওয়ার। তার দাবি শনিবার বেলা ১টার দিকে বায়তুল ফালাহ মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু ও তার সমর্থকরা এই হামলা করে। ডেইজী বলেন, ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের ফোনে জানতে পারি ভেতরে গণ্ডগোল হচ্ছে। আমি একাই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে যাই। সেন্টুর লোকেরা আমার কাপড় টেনে ছেঁড়ার চেষ্টা করে। একজনের হাতে মোবাইল ছিল, সে ভিডিও করে যাচ্ছিল। এরপর সেন্টু এসে তার লোকজন নিয়ে আমার লোকজনকে পেটানো শুরু করে। সেন্টুর সমর্থকরা তার ওপর চড়াও হলে হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত এবং গায়ের চাদর ছিঁড়ে যায় বলে দাবি করেন ডেইজী। তবে সেন্টু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ডেইজী সারওয়ারের সমর্থকরা বরং আমার কর্মীদের ধরে বেধড়ক পেটায় এবং কয়েকজন গুরুতর আহত হয়।

পল্লবীতে হুমকি দিয়ে এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ : ঢাকা উত্তরের দারুসসালাম থানার ৯নং ওয়ার্ডে হুমকি দিয়ে জাতীয় পার্টির ১২ নারী পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন জাপা সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমাস উদ্দিন (ঘুড়ি মার্কা)। তিনি বলেন, গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় বাগবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আসমা বিদ্যানিকেতন ও সিদ্ধার্থ হাইস্কুল কেন্দ্রে তার ও ১৬টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। আলমাস দেশ রূপান্তরকে বলেন, তিন কেন্দ্র থেকে আমার ১২ জন নারী পোলিং এজেন্টকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন হুমকি দেয়। তারা বেরুতে না চাইলে এক পর্যায়ে গায়ে হাত তোলে এবং লাঞ্ছিত করে।

একই ওয়ার্ডের বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুল ইসলাম বলেন, ভোট শুরুর পর ১৬টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরামবাগে হামলা-পাল্টাহামলায় আহত ৬ : দক্ষিণের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুমিনুল হক সাঈদের স্ত্রী ফারহানা আহম্মেদ বৈশাখীর (ঠেলাগাড়ি) কর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মোজাম্মেল হকের (ঘুড়ি) কর্মীদের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বৈশাখীর সমর্থক চারজন ও দুজন মোজাম্মেলের সমর্থক। দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টাহামলায় আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা : সকালে মোহাম্মদপুরের জাফরাবাগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ হোসেন খোকনের সমর্থকদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আগামীনিউজের সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। এ ছাড়া বিভিন্ন কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালে হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত