ফুলের জুস খেয়ে দিন শুরু করা উত্তম। পর্যাপ্ত ভিটামিন সরবরাহের পাশাপাশি শরীর থাকবে আর্দ্র। অনেকে মনে করেন ফলের জুস তেমন স্বাস্থ্যকর নয়। এটি এনার্জি ড্রিংকসের মতোই ক্ষতিকর।
কীভাবে ফলের জুস সোডার মতোই ক্ষতিকর?
সব ধরনের ফলই স্বাস্থ্যকর। তবে ফলের জুস যে প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করা হয় তার স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে।
অধিকাংশ ফলের জুস অরগানিক এবং সোডার মতোই প্রচুর চিনি থাকে। নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লিকুইড জুস তৈরি করা হয়।
দুই পানীয়ের মধ্যেই উচ্চমাত্রায় সোডা থাকে: অনেকে ফলের জুসকে ক্ষতিকর মনে করেন। এনার্জি ড্রিংসে উচ্চমাত্রায় চিনি, ক্যালরি থাকে। যা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। প্রক্রিয়াজাত জুসে চিনি থাকার কারণে ক্ষতি হতে পারে। তবে একই প্রক্রিয়ায় এটি আক্রান্ত নাও করতে পারে। মিষ্টি বা চিনিযুক্ত জুসের চেয়ে প্রাকৃতিক জুস খাওয়া ভালো। কারণ এটি শতভাগ পুষ্টি জোগাবে।
দুই-ই ওজন বাড়ায়: এনার্জি ড্রিংক এবং ফলের জুস দুটোই ওজন বাড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে। কারণ এগুলোতে উচ্চমাত্রায় ক্যালরি রয়েছে, তবে কম পরিমাণে আঁশ রয়েছে যেটা আপনার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করবে না। অতিরিক্ত ক্যালরি ওজন বাড়িয়ে দেয়।
জুসের স্বাস্থ্য উপকারিতা: প্রাকৃতিক ফলের জুসে ভিটামিন, খনিজ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যা প্রক্রিয়াজাত জুস এবং এনার্জি ড্রিংসে নেই।
বেশি পরিমাণে প্রক্রিয়াজাত জুস খেলে স্থূলতা এবং অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ এই দুই পানীয়ের মধ্যে আঁশ নেই এবং চিনির পরিমাণ বেশি।
তাই উপকার পেতে বাড়িতে বানানো ফলের জুস খাওয়াই উত্তম।
