যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইয়েমেনে আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা কাসিম আল রাইমি নিহত হয়েছেন বলে হোয়াইট হাউজের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আল-কায়েদার ওই শীর্ষ নেতার নিহত হওয়ার সংবাদ নিশ্চিত করেন।
হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘রাইমির মৃত্যু বিশ্বজুড়ে আল-কায়েদা এবং একিউএপির অবস্থার আরও অবনতি ঘটাবে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের ওপর
হুমকি হয়ে থাকা গোষ্ঠীগুলোকে নিশ্চিহ্ন করার ক্ষেত্রে আমাদের আরেকটু এগিয়ে দেবে। তার মৃত্যুর ফলে যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের স্বার্থ এবং আমাদের মিত্ররা আরও নিরাপদ হলো।’
রাইমি আল-কায়েদা ইন দ্য অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা (একিউএপি) অংশের প্রধান ছিলেন। চলতি শতকের প্রথম দশকে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা স্বার্থের ওপর ধারাবাহিক হামলায় তার সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে ধারণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় পূর্বসূরির মৃত্যুর পর ২০১৫ সালে রাইমি একিউএপির দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
আরব অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকারগুলোকে উচ্ছেদ এবং পশ্চিমা প্রভাব নিরসনে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের আল-কায়েদার দুটি বিচ্ছিন্ন অংশের সমন্বয়ে ২০০৯ সালে একিউপি গঠিত হয়। ইয়েমেনেই জঙ্গিগোষ্ঠীটির ব্যাপক সফলতা দেখা যায়। একিউএপি দেশটিতে যে রাজনৈতিক অস্থিরতার সূচনা করেছিল গত কয়েক বছর ধরে তা আরও বিস্তৃত হয়।
ড্রোন হামলায় আল-রাইমির মৃত্যুর গুঞ্জন গত জানুয়ারির শেষদিক থেকেই শুরু হতে থাকে। এর প্রতিক্রিয়ায় একিউএপি ২ ফেব্রুয়ারি তাদের শীর্ষ নেতার একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করে। ওই বার্তাটি আগেই ধারণ করে রাখা হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজ রাইমির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও কবে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল তা জানায়নি।
