সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। একই সঙ্গে ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিজস্ব পদ্ধতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে মত দিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল শনিবার বিকেলে ডাকসু সভাকক্ষে কার্যনির্বাহী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডাকসু সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, সহসভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডাকসুর মাধ্যমে ব্যয়কৃত অর্থের অডিট, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পেমেন্ট অনলাইনে, পরিবহন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ, ডাকসুর অভিষেকের পরিবর্তে নবীনবরণসহ ১২টি বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানীর দুর্ব্যবহার নিয়ে আপত্তি জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, অডিট সম্পন্ন করতে দুজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সকল ফি পরিশোধ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগ, ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিবহন খাতে নতুন তিনটি বাস যুক্ত ও কুমিল্লা বিশ্বরোড থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত নতুন রুট অনুমোদন দেওয়া হয়। ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ, মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য সংস্কার ও ইতিহাস সংরক্ষণে ভাস্কর্যের গায়ে পাদটীকা স্থাপনে সংশ্লিষ্ট সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় চিবলকে। ডাকসুর অভিষেকের পরিবর্তে মার্চে ১ থেকে ৬ তারিখের মধ্যে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। ক্যাম্পাসে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। বিভিন্ন বিভাগে অতিরিক্ত উন্নয়ন ফি আদায় বিষয়ে পরবর্তী ডিনস কমিটির মিটিংয়ে একটি নীতিমালা করার বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়।
