রাজধানীর দক্ষিণখানের কাওলা এলাকায় গত ২৬ জানুয়ারি দুপুরে ৩ জনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত সোমবার মামলা হয়েছে। দক্ষিণখান থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অচেনা আরও ১২ জনকে আসামি করে এ মামলা করেছেন হামলার শিকার মো. নজরুল ইসলাম সুজন। আসামিরা হলো সোয়েব আক্তার জেসিস মোল্লা, আনোয়ার হোসেন আনু, সাদী, বিজয়, জোবায়ের মোল্লা, ফয়সাল, নাছির, আকাশ, পল্লব ও নিতুল। এ হামলায় জড়িত কাউকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার বাদী সুজন জানান, গত ২৬ জানুয়ারি দুপুরে দক্ষিণখানের কাওলার দক্ষিণ গাওয়াইর এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবকের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশেই হোটেলে বসা ছিলেন সুজন। খবর পেয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করতে তিনিসহ প্রতিবেশী লিখন ঘটনাস্থলে (কাওলার সফিউদ্দিন পনু মোল্লার বাড়ির সামনে) যান। এ সময় দুর্বৃত্তরা উদ্ধারকারীদেরও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখান থেকে সুজনকে স্থানান্তর করা হয় রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে বেরিয়ে গত সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে দক্ষিণখান থানায় মামলা করেন তিনি। আর এর আগে থানায় মৌখিক অভিযোগও জানানো হয়। তবে ঘটনার ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অথচ আসামিরা প্রকাশ্যেই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে সুজন সপরিবারে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণখান থানার ওসি শিকদার মো. শামীম হোসেন গত রাতে দেশ রূপান্তরকে জানান, কাওলা এলাকায় ওই হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিরা গা ঢাকা দেওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
