জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও দৃষ্টি আকর্ষণ করাটাই সন্ত্রাসবাদীদের কাছে মুখ্য। তারা ম্যাক্সিমাম মিডিয়া কাভারেজকে টার্গেট করে আক্রমণের চেষ্টা করে থাকে। এ ক্ষেত্রে টেররিজম দমনে মিডিয়ার সহযোগিতা পুলিশের জরুরি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মনিরুল ইসলাম।
গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া লাউঞ্জে ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এমনটা জানিয়েছেন তিনি। মিডিয়া প্রচার পাওয়া নিয়ে অতীতের সন্ত্রাসী কর্মকা- সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০০৫ সালে তাদের উপস্থিতি মানুষের মধ্যে জানান দিতে দেশের ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল। তারা মিডিয়ার প্রয়োজন মনে করে কয়েকটি কারণে। যেমন দায় স্বীকার, জনগণকে তাদের অস্তিত্ব জানানো, আতঙ্কিত করা, ত্রাস সৃষ্টি করাসহ তাদের মেসেজ পৌঁছে দেওয়া।
মিডিয়ার মাধ্যমে তারা হামলার কারণ প্রচার করছে। প্রচারের মাধ্যমে তাদের সাপোর্টারদের কাছে মেসেজ পৌঁছে দেওয়া ও পটেনশিয়াল সাপোর্টারদের দলে ভেড়ানোর কাজ করছে। তারা টার্গেট হিসেবে সিম্বলিক ও আইকনিক টার্গেটকে বেছে নেয়। এ ক্ষেত্রে তারা নারীদেরও ব্যবহার করে থাকে। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদীরা যেভাবে প্রচার চায় সেভাবে প্রচার না পেলে মিডিয়ার বিপক্ষে চলে যায়। এ ক্ষেত্রে তারা সংবাদকর্মীদেরও টার্গেট করে থাকে। আমরা মিডিয়ার ভূমিকাকে অনেক বড় করে দেখি। আমরা মানুষকে সতর্ক বা সচেতন করতে মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে থাকি।
মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রিকশনসগুলোতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রচারবিমুখ থাকতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীদের মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা, যাতে কেউ উৎসাহিত না হয়, যেকোনো সন্ত্রাসী দমন অভিযান লাইভ টেলিকাস্ট না করা, হোস্টেজ সিচুয়েশনে প্রচারের ক্ষেত্রে হোস্টেজদের পরিচয়সহ নানান কিছু প্রচার না করা এবং সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে জনমত গঠন কর
×
