সিলেটে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৪:৩৫ এএম

সিলেটে  র‍্যা  পুলিশের সঙ্গে পৃথকবন্দুকযুদ্ধেদুজন নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার গভীর রাতে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বিশ্বনাথ উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রামের তরাজ মিয়া (৩৮) গোলাপগঞ্জ উপজেলার কদুপুর গ্রামের আলী হোসেন (৪০) তাদের মধ্যে তরাজ মিয়া পুলিশ এবং আলী হোসেন ্যাব--এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

র‍্যা  পুলিশের দাবি, তরাজ মিয়া ডাকাত দলের সদস্য এবং আলী হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ছিল।

বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা জানান, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর বাইপাস সড়কের মরমপুর-সুরিরখাল এলাকায় সড়কে

 গাছ ফেলে শুক্রবার রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ডাকাতরা। সেখানে টহল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তরাজের লাশ এবং একটি পাইপগান তিনটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

বন্দুকযুদ্ধে এসআই মিজানুর রহমান, কনস্টেবল চন্দর গৌড় রাসেল দাস আহত হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে তরাজের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

তবে লাশ গ্রহণ করে তরাজের স্ত্রী হালিমা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি মামলায় ২২ মাস কারাভোগ শেষে আমার স্বামী ১৮ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পায়। কিন্তু জেলগেট থেকেই তাকে সাদাপোশাকের পুলিশ গ্রেপ্তার করে।তিনি দাবি করেন, ‘এরপর আইনজীবীর মাধ্যমে আমি জানতে পারি, ৫০ হাজার টাকা দিলে তরাজকে ছোটখাটো মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে, যাতে সে সহজেই ছাড়া পেতে পারে। কিন্তু এরই মধ্যে শনিবার বন্দুকযুদ্ধে স্বামীর মৃত্যুর খবর পাই।

এদিকে ্যাব--এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. মনিরুজ্জামান জানান, গোলাপগঞ্জের কদুপুর গ্রামে হত্যা মামলার আসামি আলী হোসেনকে ধরতে গেলে সহযোগীদের নিয়ে তিনি হামলা চালান। ্যাবও পাল্টা গুলি চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে এক ্যাব সদস্য আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত