টেস্ট দল থেকে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়া মাহমুদউল্লাহ আবারও হতাশ করেছেন। বিসিএলের ফাইনালে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে, যুব বিশ্বকাপ জয়ী তারকা তানজিদ হাসান তামিম টি২০, লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের মতো ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটের প্রথম ইনিংসটাও রাঙিয়েছেন ফিফটি দিয়ে।
ফাইনালে চালকের আসনে দক্ষিণাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও ৩৩৮ রানের বড় লিড পেয়ে গেছে তারা। গতকাল তৃতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১২৫। মাহমুদউল্লাহ ব্যাটিং অর্ডার পাল্টে ৩-এ নেমে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলছিলেন। তবে আবু হায়দার রনি তাকে এগোতে দেননি। ১১ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ১৭ রান করেই আউট হন মাহমুদউল্লাহ। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৪ বলে ১।
আগের দিনের ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে সকালে খেলতে নামে পূর্ব। মধ্যাহ্ন বিরতে যাওয়ার আগে মাহমুদুল হাসানের উইকেট হারিয়ে আরও ১১০ রান যোগ করে তারা। স্বাচ্ছন্দ্যেই খেলছিলেন আফিফ হোসেন ও তানজিদ। তবে দ্বিতীয় সেশনে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে পূর্ব। দক্ষিণের অধিনায়ক আবদুর রাজ্জাকের ঘূর্ণিজাদুতে ৬৩ রান যোগ করতেই ২৭৩-এ গুটিয়ে যায় তারা। ১০২ রানে ৭ উইকেট নিয়েছেন রাজ্জাক।
৯৮ বলে ৪৭ রান করে রাজ্জাকের শিকার হন আফিফ। পরে তানজিদকেও ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। সাধারণত ওপেনিংয়ে নামলেও গতকাল ৬-এ নেমে আলো ছড়িয়েছেন তানজিদ। পেশাদার ক্রিকেটে তানজিদের পথচলা টি২০ দিয়ে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফতুল্লায় উত্তরা স্পোর্টিংয়ের হয়ে ৫৭ বলে ৭২ করেছিলেন তিনি। পরের মাসে একই দলের হয়ে একই মাঠে লিস্ট ‘এ’ অভিষেকেও করেন ফিফটি। ৫০ ওভারের প্রতিযোগিতায় শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাবের বিপক্ষে ৭৫ বলে করেন ৬৪। এবার করলেন ৮৭ বলে ৮২। মেরেছেন ৭ চার ও ২ ছক্কা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথমবার লাল বলে খেলতে নেমে ৮৭ বলে করেছিলেন অপরাজিত ১২৫।
