কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় যুদ্ধাপরাধ মামলার বাদী ও প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের ১০ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার রাতে উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম, মিজান, তুষ্ট লাল বিশ্বাস; এএসআই জেড রহমান ও ছয় কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলামকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ঘটনায় আহতরা হলেন মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার বাঙ্গালীর স্ত্রী ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নেচারা বেগম (৬০), ছেলে মুরাদুল করিম সিফাত (২৭), পুত্রবধূ ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিমের স্ত্রী শাহানা আক্তার শানু (৩০), ফরিদা ইয়াসমিন (৩২), ফাতেমা ইয়াসমিন (২৮), সাবাহ নুর তাবাহ (১৮), সৌদিপ্রবাসী নাতি হাসান আবুল কালাম (২৩), নাতি আর্শেনুল করিম সুহা (৯) ও নাতি আনোয়ারুল মোস্তাফিজ শিহাব (১৪)। তাদের মধ্যে সিফাতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
নেচারা বেগম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুরে আকস্মিকভাবে চকরিয়া থানার একদল পুলিশ আমাদের বাড়ির (মুক্তিযোদ্ধা কুঠির) প্রধান ফটক বন্ধ করে তল্লাশির নামে ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালায়। তারা অশ্লীল গালিগালাজ করে বাড়ির দেয়ালে টাঙানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ভাঙচুরের পাশাপাশি ছয়টি কক্ষের জানালা ও আসবাব ব্যাপক ভাঙচুর করে।’
×
