বাফুফে নির্বাচন নিয়ে ক্লাবগুলো একাট্টা

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২০, ১২:৩০ এএম

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি পক্ষ বেশ কিছুদিন ধরেই নানামুখী কর্মকা- চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে সভাপতি করে কয়েক মাস আগে গঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার সময়ও বাফুফের ২০ এপ্রিলের নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা ছিল রুহুল আমিনের। কিছুদিন আগে সেই ঘোষণা থেকে সরে আসেন তিনি। তবে তিনি সরে এলেও বাফুফের নির্বাচন থেকে তার সঙ্গের মানুষদের থেকে যাওয়ার কথা শুরু থেকেই বলে আসছেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভা। যেখানে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুমোদিত হয় এবং গঠিত হয় ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি ইমার্জেন্সি কমিটি। সভায় বক্তারা একাট্টা থেকে বর্তমান সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে হটানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক পুলিশের ডিআইজি শেখ মো. মারুফ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রুহুল আমিন বলেন, ‘আপনারা জানেন, ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) দুর্নীতি, অনিয়ম, ব্যর্থতা তুলে ধরতে এবং ফেডারেশনের কাছে আমাদের যেসব দাবি-দাওয়া সেগুলো আদায় করতেই মূলত বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস অ্যাসোসিয়েশন গঠন।  আগামী ২০ এপ্রিল বাফুফে নির্বাচন। আমাদের সবাইকে এক প্লাটফর্মে আসতে হবে। ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন আমরা গঠন করেছি সবার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য, কারও ব্যক্তিস্বার্থে নয়। বাংলাদেশের ফুটবলকে একটা ভালো জায়গায় নিতেই এটা গঠন করা হয়েছে।’

বাফুফের সহ-সভাপতি এবং ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি বলেন, ‘এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়া। বাংলাদেশের ফুটবল আজ কোথায় আছে সেটা আমি, আপনারা সবাই জানেন। বাফুফের বর্তমান সহ-সভাপতি হিসেবে সেই দায় আমার ওপরও পড়ে। ১৬ কোটি মানুষ থেকে আমরা ৩০টা ফুটবলার তৈরি করতে পারিনি। এটা যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে হচ্ছে না।’ সভাপতি পদে নির্বাচন থেকে রুহুল আমিন সরে দাঁড়ালেও এ ধরনের উদ্যোগে বোঝাই যাচ্ছে এখনো অনেক কিছুই অপেক্ষা করছে। তাই এখনই নির্ভার থাকার জো নেই সালাহউদ্দিন নেতৃত্বাধীন পক্ষের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত